জানা গিয়েছে, নামখানার তিন মৎস্যজীবীকে প্রায় আড়াই বছর ধরে আটকে রেখেছে পাকিস্তান। আগে দু-একবার ফোনে পরিবারে সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে আর ফোন অথবা চিঠি আসছে না। পরিবারের কেউ কিছু জানে না। বিষয়টি নিয়ে প্রবল ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। ওই মৎস্যজীবীরা গুজরাতে গিয়েছিলেন কাজের জন্য। সেখানে ট্রলার নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতেন। ২০ দিনের মাথায় হঠাৎ পাকিস্তানের উপকূলরক্ষী বাহিনী তাঁদের আটক করে। ট্রলারের মালিক ঘটনার কথা নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবারকে জানায়।
advertisement
এরপর আটক মৎস্যজীবীরাও ফোন করেন বাড়িতে। ধরে নেওয়ার বিষয়টি তাঁরা নিজের মুখে জানান। তারপরও মাঝেমধ্যে পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ হয়েছিল। এমনকি তপন মহাপাত্র করাচির লান্ধি কারাগার থেকে দু’টি চিঠিও লিখে বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন।
তবে এখন কেন কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না তা নিয়ে চিন্তিত সকলেই। এ নিয়ে মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার জানিয়েছেন, “অতীতে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইরাক থেকে বহু মানুষকে এদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীও বাংলাদেশে আটক থাকা বহুজনকে ফিরিয়ে এনেছেন। তিনজনকে শীঘ্রই ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানাব।” তবে ওই ব্যক্তিদের কি হয়ে সেই বিষয়টি জানা জরুরি বলে জানিয়েছেন পরিবারের লোকজন। জেলবন্দি থাকলেও যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার কথা নয় বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এ নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা।






