সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচন শুধু রাজ্যের ক্ষমতা দখলের লড়াই নয়, বরং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ভিত্তি গড়ার লড়াই। উত্তরপাড়ার মাটি থেকেই সেই লড়াইয়ের দামামা বাজাতে হবে বলে তিনি কর্মীদের আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ কলকাতায় মোদির র্যালি, বড় অভিযানে বিজেপি! প্রচারে ঝড় তুলতে ভবানীপুরকে বাছবেন প্রধানমন্ত্রী?
advertisement
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেন, “এই দেশে মোদির সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলার সাহস, লড়াই করার ক্ষমতা একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই আছে। এর বাইরে আর কেউ নেই।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে সভামঞ্চে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, দেশে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করা হচ্ছে এবং বিভাজনের রাজনীতি চালানো হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে বাংলার মাটি থেকেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করে দেন ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ২০২৯ সালে দিল্লির ক্ষমতা পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করতে হবে। তাঁর কথায়, “বাংলা থেকেই এমন বার্তা যেতে হবে, যাতে গোটা দেশ বুঝতে পারে বিকল্প নেতৃত্ব তৈরি রয়েছে।”
দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও জোর দেন। অভ্যন্তরীণ মতভেদ ভুলে সংগঠিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একমাত্র ঐক্যবদ্ধ লড়াইই তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করবে। সব মিলিয়ে উত্তরপাড়ার এই সভা থেকে স্পষ্ট, রাজ্যের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই লড়াইয়ের মুখ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তুলে ধরলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।





