পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধূলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে শেখার প্রতি আগ্রহ ও কৌতূহল জাগিয়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। অক্ষরজ্ঞান থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্তরের বিভিন্ন বিষয় এখানে সহজ ও আনন্দের সঙ্গে শেখানো হয়।
আরও পড়ুনঃ নলেন গুড়ের চাহিদা মেটাতে আসরে মহিলা শিউলিরা! গাছে উঠে সংগ্রহ করছেন খেজুর রস, টেক্কা দিচ্ছেন পুরুষদের
advertisement
অনুপমা মোদক জানান, “এই মডেল স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করার পর শিশুরা যখন বড় স্কুলে যাবে, তখন আর পড়াশোনাকে ভয় পাবে না। আমি এখানে সব বিষয়ই পড়াই, কিন্তু বই ছাড়া। পুরোটাই খেলাধূলা আর আনন্দের মাধ্যমে।”
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর আগে অনুপমা দীর্ঘ ২৩ বছর একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। সেখানকার অভিজ্ঞতাই তাঁকে এই ব্যতিক্রমী ভাবনায় উদ্বুদ্ধ করেছে। আগামীদিনে এই স্কুলটিকে আরও বড় আকারে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। অনুপমার এই উদ্যোগে খুশি শিশুদের অভিভাবকরাও। তাঁদের মতে, এমন পরিবেশে পড়াশোনা করলে শিশুরা স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
একজন গৃহবধূর এই প্রচেষ্টা শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, সমাজের কাছেও এক অনুপ্রেরণার বার্তা বহন করছে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও ইচ্ছাশক্তি, অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ থাকলে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব, তারই উজ্জ্বল উদাহরণ অনুপমা মোদকের এই ছোট্ট মডেল স্কুল।





