এদিন সকালে ডাঃ সোরেন প্রথমে শ্রীরামপুর গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে থাকা প্রতিনিধি দল হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি নাদনঘাট থানার আইসি-র উদ্যোগে শ্রীরামপুর গ্রামীণ হাসপাতালে গড়ে ওঠা ফুলের বাগান নিয়েও প্রশংসা করেন তিনি। ডাঃ সোরেনের মন্তব্য, হাসপাতাল চত্বরে এই ধরনের সবুজ পরিবেশ থাকলে রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, যা সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রেও সহায়ক।
advertisement
এরপর দুপুরের পর কালনা মহকুমা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা। শনিবার বিকেল প্রায় চারটে নাগাদ কালনা মহকুমা হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রথম সন্ধ্যাকালীন আউটডোর পরিষেবার উদ্বোধন করা হয়। নতুন এই পরিষেবার আওতায় প্রতিদিন বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মিলবে আউটডোর চিকিৎসা। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে সপ্তাহে তিনদিন মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ও শনিবার এই পরিষেবা চালু থাকবে। প্রাথমিক পর্যায়ে গাইনি, পেডিয়াট্রিক্স ও মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে। রোগীর সংখ্যা ও পরিষেবার কার্যকারিতা বিচার করে ভবিষ্যতে সময়সূচি বা পরিষেবার পরিসর পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
সন্ধ্যাকালীন আউটডোর পরিষেবা চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের একাধিক সুবিধা মিলবে। দিনের বেলায় কাজকর্মে ব্যস্ত শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক বা বেসরকারি কর্মীরা এখন কাজ শেষ করেই হাসপাতালে এসে চিকিৎসা করাতে পারবেন। ফলে চিকিৎসার জন্য আলাদা করে ছুটি নেওয়ার প্রয়োজন কমবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এছাড়াও দিনের বেলায় আউটডোরে রোগীর চাপ কিছুটা কমবে, দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি হ্রাস পাবে। জরুরি নয় এমন অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলক হলেও এই উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমান জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবায় এক নতুন দিগন্ত খুলল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।






