উৎসবের শুরু থেকেই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ছে।
গঙ্গোৎসবের মণ্ডপে রয়েছে মানানসই ও অনন্য সুন্দর প্রতিমা। প্রতিমা শিল্পীদের নিখুঁত কাজ নজর কেড়েছে দর্শকদের। মণ্ডপ ও প্রতিমা তৈরিতে খরচ হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। শঙ্করপুর এলাকার মৎস্যজীবীরাই মূল উদ্যোক্তা। মণ্ডপে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ছে শৈল্পিক সাজসজ্জা। প্রতিটি কোণে রয়েছে আলোর কারুকার্য। সন্ধ্যার পর আলোয় ঝলমল করে ওঠে পুরো মণ্ডপ। শিশু থেকে বয়স্ক সকলেই উপভোগ করছেন এই উৎসব।
advertisement
আরও পড়ুন: মকর সংক্রান্তিতে দিঘায় পূণ্যার্থীদের ঢল, কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করে ঘাটে ঘাটে পুণ্যস্নান
এবছর শঙ্করপুর ফিসারম্যান এন্ড ফিস্ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের পুজো ৪৩ তম বর্ষে পদার্পণ করল। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে এই গঙ্গোৎসব হয়ে আসছে। মৎস্যজীবীরা বিশ্বাস করেন গঙ্গা মায়ের আশীর্বাদে তাঁদের জীবন ও জীবিকা রক্ষা পায়। সেই বিশ্বাস থেকেই প্রতি বছর এই আরাধনা।
এবছর আয়োজন হয়েছে আরও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে। আগের বছরের তুলনায় মণ্ডপ ও সাজে এসেছে নতুনত্ব। উৎসব উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। লোকসংগীত ও নৃত্য পরিবেশিত হচ্ছে মঞ্চে। স্বদেশ মেলায় মিলছে নানা ধরনের জিনিস। স্থানীয় শিল্পীদের তৈরি সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে সেখানে।
আরও পড়ুন: মাখানা চাষে ভাগ্য বদলাবে পূর্ব মেদিনীপুরের কৃষকদের! কৃষি দপ্তরের নতুন উদ্যোগে ব্যাপক সাড়া
শুধু শঙ্করপুর নয়, গঙ্গোৎসবে মেতে উঠেছে গোটা উপকূল এলাকা।
দিঘা মোহনা থেকে শুরু করে জুনপুট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের রেশ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মৎস্যজীবীরা অংশ নিয়েছেন এই উৎসবে। সমুদ্রের পাড়ে পাড়ে চলছে পুজো ও আরাধনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও আকর্ষণ করছে এই গঙ্গোৎসব। মৎস্যজীবীদের আশা, গঙ্গা মায়ের কৃপায় আগামী বছর আরও ভাল কাটবে তাঁদের জীবন।





