সিপিআইএম নেতাদের একাংশের মত, যুব সাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো প্রকল্পের বরাদ্দও বেড়েছে রাজ্য বাজেটে। আর টা ভোটের আগে যথেষ্ট চাপে ফেলে দিয়েছে পার্টিকে। অন্যদিকে, দলের বিদ্রোহী তরুণ তূর্কি নেতা প্রতীক উর রহমান প্রসঙ্গে এদিন কার্যত চুপ ছিলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। আগামিকাল শুক্রবার রাজ্য কমিটির বৈঠকের শেষদিন প্রতীক উরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে খবর।
advertisement
আরও পড়ুন: ‘ভারতে’ আগে ১০টা বাজে নাকি ‘পাকিস্তানে’…? অধিকাংশই জানেন না সঠিক ‘উত্তর’! আপনি?
বস্তুত দলের এই তরুণ নেতা মুখ খোলায় এই মুহূর্তে ভোটের আগে বেজায় চাপে সেলিম-সহ গোটা সিপিআইএম পার্টি। জেলাওয়াড়ি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রথমদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে- নানা বিষয়ে। কথা হয়েছে ভোটের প্রস্তুতি নিয়েও। ৮০ শতাংশ আসন চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ নিয়ে জট রয়েছে শরিকদের সঙ্গে। এই জট কাটলেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করে নিতে বলা হয়েছে। সূত্রের খবর আগামী নির্বাচনে সিপিআইএম ২০০ টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
প্রসঙ্গত, প্রতীক উর পর্বে এই মুহূর্তে কড়া সমালোচনার মুখে সিপিআইএম। এর মধ্যেই রাজ্য কমিটির বৈঠকে কার্যত প্রতীক উর পর্বকে বাইরে রাখারই সিদ্ধান্ত নেন মহাম্মদ সেলিমরা। একাধিক যুব নেতা ইতিমধ্যেই স্থানীয় নেতৃত্বের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রতীক উরের প্রশ্নেই একমত আরও অনেকে। এই পরিস্থিতিতে দল নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক মন্তব্য করেন প্রতীক উর রহমান।
তাঁর কথায়, “মানসিক যন্ত্রণাকে এমন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যখন পাল্টা পদক্ষেপ করতে হয়। দল আমাকে প্রাক্তন করতে চাইছে, করেও দিয়েছে মনে হয়। আমি দলের অভ্যন্তরেই যা বলার বলেছিলাম, দলের সঙ্গে বসতেও চেয়েছিলাম। রাজ্য সম্পাদককে চিঠিও দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে ডাকেননি। আমি প্রাক্তন হতে চাইনি, আমাকে প্রাক্তন করে দেওয়া হচ্ছে মনে হচ্ছে।”
