আবেদনপত্র জমা করার পরে আবার ফোন আসে এবং ওই ব্যবসায়ীকে বলা হয় আপনাকে ১৯৫০০ টাকা জমা করতে হবে। ১৯৫০০ টাকা জমা করলে একটি ডকেট নম্বর দেওয়া হবে। সেই ব্যক্তির কথা মত তারাপীঠের ব্যবসায়ী ১৯৫০০ টাকা জমা করেন। কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে বলা হয় আগের ১৯৫০০ টাকা ১৪ টি স্কুটার এর জন্য হয়েছে, আরও ১৯৫০০ টাকা দিলে আরও ১৪ টি স্কুটার গাড়ির অর্ডার দেওয়া হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: শিব ভক্তদের মহা উৎসব, জল্পেশ মন্দিরে চোখ ধাঁধানো আয়োজন! শিবরাত্রির মেলায় ফিরছে সার্কাস
সেই কথা মতন তারাপীঠের ওই ব্যবসায়ী আবারো ১৯৫০০ টাকা অনলাইনের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। ঠিক একইভাবে নানান অজুহাত দেখিয়ে মোট ১০ বাড়ে এক লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন প্রতারক। পরবর্তীতে ওই ব্যক্তি ফোন করে জানান সিউড়ি অফিসে এসে আপনি আপনার গাড়ির চেক নিয়ে যান। যখনই তারাপীঠের ওই ব্যবসায়ী সিউড়ি যেতে রাজি হন, ঠিক তখন থেকেই ওই ব্যক্তি নানান অজুহাত দেখিয়ে ফোন কেটে দেন তারাপীঠের ব্যবসায়ীর।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এরপরেই তারাপীঠের ওই ব্যবসায়ী অনুমান করতে পারেন তার সঙ্গে প্রতারণা হয়ে গেছে। তৎক্ষণাৎ ওই ব্যবসায়ী রামপুরহাট সাইবার ক্রাইম অফিসে জানান ও তারাপীঠ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে জানান তিনি। জানা যায় তারাপীঠের ওই ব্যবসায়ীর নাম তারাময় মুখোপাধ্যায়। তিনি একদিকে যেমন ব্যবসায়ী, ঠিক তেমনই তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি।






