মকর সংক্রান্তি থেকে শুরু করে তিনদিন আলিপুরদুয়ার শহরের মহিলারা এই পিঠেপুলি উৎসবের আয়োজন করে। বর্তমানে রেডিমেড পিঠেপুলি মেলে মিষ্টির দোকানগুলিতে। তবে আলিপুরদুয়ার শহরের মহিলারা পিঠেপুলি উৎসব আয়োজন করেন আন্তরিকতার সঙ্গে। নিজেদের হাতে তৈরি বিভিন্ন রকমের পিঠে শহরবাসীদের খাওয়ান তারা।
advertisement
এই উৎসবে এলে দেখা যায় যেমন নতুন ধরণের পিঠে, তেমনই গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া কিছু পিঠেপুলি। চন্দন কাঠ পিঠে, মালাই পাটিসাপটা, আতিক্কা পিঠের নাম এখন সেভাবে শোনাই যায় না। এই পিঠেগুলির দেখা মেলে এই উৎসবে। আলিপুরদুয়ারবাসী বছরভর অপেক্ষা করে থাকেন এই উৎসবের জন্য। কে কার থেকে ভাল পিঠে তৈরি করতে পারেন, তা নিয়ে চলে প্রতিযোগিতা।
উৎসবের মেজাজে মন ফুরফুরে থাকে কয়েকটা দিন আলিপুরদুয়ারবাসীর। নতুন প্রজন্মের ছেলে,মেয়েদের শাক, সবজির প্রতি যথেষ্ট অনীহা রয়েছে। তার জন্য নীলা মোদক নামের এক মহিলা তৈরি করেছেন পালং পাটিসাপটা, ফুলকপির পায়েসের মতো পদ। সবুজ রঙের পাটিসাপটা দেখতে ভিড় স্টলে। বিশেষ করে শিশুরা রঙিন পিঠে দেখে এগিয়ে আসছে বলে জানা যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নীলা মোদক জানান, “কর্ম ব্যস্ততার যুগে অনেক রীতিনীতি আমরা হারিয়েছি। তবে পৌষ পার্বণ সম্পর্কে যাতে নতুন প্রজন্ম জানতে পারে তার জন্য এই আয়োজন। পাশাপাশি তাদের শীতের সবজির সঙ্গে পরিচিতি করাতে নতুন ধরণের পিঠে তৈরি করছি আমরা।”





