সকালে সীতানাথ ও সীতাদেবীকে ছোট গোস্বামী বাড়ির দোল মঞ্চে বসিয়ে দেওয়া হয়, এরপর তাদের পুজোর পর্ব সম্পন্ন হলে সাধারণের উদ্দেশ্যে প্রসাদ বিতরণ সম্পন্ন হয়, এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে কাশ্যপ পাড়ায় একটি মেলা বসে। ভক্তরা সারাদিন সীতানাথের উদ্দেশে আবির নিক্ষেপ করেন, আর ঠিক সন্ধ্যার পড়েই পান্তাভাতের ভোগ নিবেদনের রীতি বিদ্যমান রয়েছে চাকফেরা অর্থাৎ ছোট গোস্বামী পরিবারে।
advertisement
গ্যাস সিলিন্ডার নেই? রান্না বন্ধ করতে হবে না! জেনে নিন গ্যাস ছাড়া রান্নার ১০টি বিকল্প উপায়
এই পরিবারের পক্ষ থেকে শশাঙ্ক শেখর চক্রবর্তী আমাদের সংবাদ মাধ্যমকে জানাচ্ছেন পান্তাভাত, কাঁচালঙ্কা ও লেবুর সঙ্গে প্রায় ৩৫ রকমের পদের আয়োজন হয় এখানে, আর এই সপ্তম দোল অতি প্রাচীন। মোট ৩৫ রকমের পদের মধ্যে থাকে কচুর শাক, মোচা, খিচুড়ি, ভাজা, পনির, এঁচোর, পুষ্পন্ন, পরমান্ন, মিষ্টান্নর আরও নানাবিধ পদ।
কাশ্যপ পাড়াতেও এদিন সাধারণ মানুষেরা হোলির আনন্দে মেতে ওঠেন। আবার শান্তিপুর স্টেশন এলাকা থেকে বাবলা পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় হোলির আমেজ পরিলক্ষিত হয়। বাবলা এলাকায় সাধারণ মানুষ তাদের বাড়িতে ও বারোয়ারিতে গোপাল পূজা ও নানাবিধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, তবে বাবলার দোলের থেকে কাশ্যপ পাড়ার চাকফেরা বা ছোট গোস্বামীর দোল বহু প্রাচীন, এমনটাই অনেকের মত।





