চুঁচুড়া রবীন্দ্র নগরের বাসিন্দা প্রৌঢ় রিপন হালদার আগে কাপরের ব্যবসা করতেন। মহারাষ্ট্রে থেকে ভালো উপার্জন করতেন। একটু একটু করে জমিয়েছিলেন টাকা, গুজরাটে তিন ব্যবসায়ীর সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে ২০২১ সালে সুপারী ব্যবসায় টাকা ঢালেন। প্রথম প্রথম ভালো ব্যবহার করলেও পরে আর সেই আচরণ পাননি প্রৌঢ়।
advertisement
ব্যবসা থেকে রিটার্ন না পেয়ে টাকা ফেরত চাইতে থাকেন। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় মানসিক অবসাদে পরে যান প্রৌঢ়। গতকাল পোলবার মহেশপুরে সুপারী কারখানার সামনে কীটনাশক খেয়ে নেন। তাকে চুঁচুড়া হাসপাতাল থেকে একটি বেসরকারী নার্সিংহোমে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানেই গতকাল রাতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালীন জবানবন্দিতে যে তিনজনকে টাকা দিয়েছিলেন তাদের নাম বলে যান প্রৌঢ়। ঘটনায় রবীন্দ্রনগরে কান্নায় ভেঙে পরেন রিপন হালদায়ের পরিবার।
প্রৌঢ়ের স্ত্রী মুক্তি হালদার বলেন,টাকা নেবার পর না ব্যবসা দিয়েছে না টাকা ফেরত দিয়েছে। আমাদের নিঃস্ব করে ছেড়েছে। ভবানীপুরের ফ্ল্যাটে গেছি আমরা বাজারের অফিসেও গেছি একাধিকবার কিন্তু টাকা দেয়নি। সঠিক বিচার চাই আমরা শাস্তি চাই।
স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রাক্তন তৃনমূল প্রধান ও সুপারী ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ বিশ্বাস বলেন, “আমরা ঘটনাটা জানতাম। বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নিয়েছিল। অনেকবার বলেছিলাম টাকা ফেরত দেওয়ায় জন্য,সেটা দেয়নি। এখন যদি প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নেয় পরিবারটা ভেসে যাবে। আমরা থানায় এফআইআর করব”।
