পাশাপাশি তার মাথায় আঘাত লেগেছিল বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, বিশ্বজিৎবাবুর বাড়ি শ্যামনগরে। তিনি চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানা জিএম অফিস সংলগ্ন আরপিএফ টাউন পোস্টে হেড কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। ইতিমধ্যেই মৃত আরপিএফ কর্মীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ জরুরি ভিত্তিতে অন্ডাল বিমানবন্দরে এলেন মুখ্যমন্ত্রী
advertisement
পাশাপাশি শ্যামনগরে তার বাড়িতে খবর দেওয়া হয়েছে। আরপিএফ কর্মীর মৃত্যুর খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে হাজির হন আরপিএফ এর সিনিয়র সিকিউরিটি কমিশনার, অ্যাসিস্ট্যান্ট সিকিউরিটি কমিশনার। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে সেখানে হাজির হন এসিপি কুলটি, রূপনারায়ণ ফাঁড়ির ইনচার্জ।
আরও পড়ুনঃ ছোটদের মাঠমুখী করতে আয়োজিত ক্রিকেট টুর্নামেন্ট
তাছাড়াও ঘটনার সময় থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন চিত্তরঞ্জন থানার আধিকারিক। তবে পুলিশের গাড়ি সঙ্গে আরপিএফ কর্মীর দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাশাপাশি মৃত আরপিএফ কর্মীর পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
Nayan Ghosh






