তবে আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা হানা দিলে, সেখানেও গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস বা তার স্বপক্ষে উপযুক্ত নথি এখনও পর্যন্ত দেখাতে পারেননি ওই ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, সেই কারণে আপাতত উদ্ধার হওয়া টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই ব্যবসায়ী যদি টাকা কী কারনে বা কোথায় থেকে আনা হচ্ছিল, তার সঠিক প্রমাণ দিতে পারেন, তাহলে সেই অর্থ তিনি ফেরত পেয়ে যাবেন।
advertisement
ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে গত রবিবার। জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর প্রায় ১টার দিকে, বারাবনী থানা এলাকার রুনাকুড়া ঘাট চেকপয়েন্টে পুলিশ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের তল্লাশির সময় বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধার করা হয়। এই তল্লাশির সময় হীরাপুর থানার অন্তর্গত বার্নপুর রোডের স্নেহা অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা সঞ্জয় তিওয়ারির কাছ থেকে ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে, সঞ্জয় তিওয়ারি ঝাড়খণ্ডের মহাগামা থেকে একটি ভাড়া করা গাড়িতে ভ্রমণ করছিলেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তদন্ত চলাকালীন, টাকার উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। এরপর, ফ্লাইং স্কোয়াড টিমের (এফএসটি) উপস্থিতিতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এই ঘটনা সম্পর্কে আয়কর বিভাগকেও জানানো হয়েছে। সোমবার, আয়কর বিভাগের কর্মকর্তারা এসে ওই ব্যক্তিকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময়, তিনি দাবি করেন, ব্যবসার উদ্দেশ্যে ওই টাকা আনছিলেন। কিন্তু তার কাজের সমর্থনে কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি বলেই খবর।






