এ দিন অভিশপ্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ছিলেন সুন্দরবনের পাঠানখালি বিপ্রদাসপুর ও শম্ভু নগরের আদিবাসী পরিবারের ১২ জন। তাঁদের অনেকেই আজ বাড়িতে ফিরেছেন। অল্প বিস্তর আঘাত পেলেও বাড়ি ফিরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন। ক্যানিং স্টেশনে নেমে সেই ভয়ানক দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের। তবে তাঁদের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি।
আরও পড়ুনঃ করমণ্ডল দুর্ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগণার কত জনের প্রাণ কাড়ল? জেলা জুড়ে তীব্র হাহাকার
advertisement
সুন্দরবনের পাঠানখালির বাসিন্দা ওঁরা। পরিবারের সদস্য মধুসূদন সর্দার বলেন, “পেটের টানে ১২জন মিলে তামিলনাড়ুতে ধান কাটতে গিয়েছিলাম। চেন্নাই থেকে হাওড়া আসছিল ট্রেন। সেই সময় দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরে ট্রেনের জানালার কাঁচ ভেঙে ট্রেনের ছাদে উঠে প্রাণে বেঁচেছেন ১২ জন। তবে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁরা বালেশ্বরে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।”
আরও পড়ুনঃ দুর্ঘটনার ১ সেকেন্ড আগে কী ঘটেছিল? হাড়হিম করা অভিজ্ঞতা করমণ্ডল এক্সপ্রেসের যাত্রীর
আলপনা সর্দার বলেন, “এলাকা থেকে মোট ১২জনের একটি দল তামিলনাড়ুতে ধান কাটার কাজে গিয়েছিলাম। শুক্রবার চেন্নাই থেকে হাওড়ার পথে রওনা দিই। বালেশ্বরে কাছে ট্রেনটি দুর্ঘটনা কবলে পড়ে। ট্রেন তিনবার পাল্টি খায়। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ট্রেনের বগিতে থাকা সকল যাত্রীরা বাঁচার জন্য হুড়োহুড়ি করছিল। আমরা কোনওমতে ট্রেনের জানালার কাজ ভেঙে ট্রেনের উপরে উঠে যাই। আমাদের দলে থাকা চারজন গুরুতর জখম। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।”
সূত্রের খবর,এই মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যেই দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বাসন্তী এলাকার ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার মানুষজন আটকে পড়েছেন ভিন রাজ্যে। কুলপি টেপাখালীর সাহা পরিবারের ৬ জন এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা শিকার। সেই পরিবারের সকলে অল্প বিস্তার আঘাত পেয়েছে।
Suman Saha





