তবে সন্ধ্যা নেমে আসায় আলোর স্বল্পতা থাকায় ও সমুদ্রে প্রবল ঢেউয়ের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। রাতেই উদ্ধার হওয়া মৎসজীবীদের কাকদ্বীপ মহাকুমা হসাপাতালে আনা হয়। শনিবার ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে উদ্ধারকাজ আবারও শুরু হয়। সূত্রের খবর আবহাওয়া খারাপ থাকার সতর্কবার্তা জারি করে ট্রলারগুলিকে দ্রুত ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ট্রলারগুলি ফিরে আসার সময় হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান পুলিশের! অস্ত্র-সহ গ্রেফতার এক
বেশ কিছু ট্রলার ছাইমারি দ্বীপে আসে। এফবি সত্যনারায়ণ নামের ট্রলারটিও নিরাপদ আশ্রয়স্থলে আসার চেষ্টা করে। তবে দ্রুত ফেরার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে ওই ট্রলারটি। এরপরই কেঁদো দ্বীপের ডুবো চড়ায় ধাক্কা খায় ট্রলারটি। এবছর মরশুমের শুরুতে ট্রলার এফবি সত্যনারায়ণ দূর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছিল। তবে সেবার বরাতজরে রক্ষা পায় মৎসজীবীরা। কিন্তু এবার গভীর সমুদ্রে তলিয়ে যায় ট্রলারটি। ট্রলারটি দূর্ঘটনাগ্রস্থ হলে ট্রলার থেকে বিপদসংকেত পাঠানো হয় আশেপাশের ট্রলারগুলিতে। এরপরই আশেপাশে থাকা বেশ কয়েকটি ট্রলার এফবি সত্যনারায়ণের মৎসজীবীদের উদ্ধার করতে ছুটে যায়। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকায় সেই কাজও ব্যাহত হয়।
আরও পড়ুনঃ নাম বদলেই চালু হল চাঁদখালি হল্ট স্টেশন! নতুন নাম মাতলা হল্ট
এই ঘটনা নিয়ে মৎসজীবী ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানান গতকাল যে উদ্বারকারী দল পাঠানো হয়েছিল, সেই উদ্ধারকারী দল গতকাল ১৩ জন মৎসজীবীকে উদ্ধার করে। ১৩ জন মৎসজীবীকে পাথরপ্রতিমায় আনা হয়। এরপর সেখান থেকে তাদের চিকিৎসার জন্য কাকদ্বীপ মহাকুমা হাসপাতালে আনা হয়। শনিবার সকালে বাকি মৎসজীবীদের উদ্ধার করা হয়েছে। মৎসজীবীরা লাইফ জ্যাকেট পরে থাকায় বড়সড় দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে এবার।
Nawab Mallick






