advertisement

Bhoot Baba: সাজসাজ রব, ভূত বাবার মন্দিরে আসবেন বহু পুণ্যার্থী, সকলের ইচ্ছাপূরণ হয় এই মন্দিরে

Last Updated:
এই জঙ্গলের পাশ দিয়ে গা ছমছমে পরিবেশে রাস্তায় যেতে নানা দুর্ঘটনা ঘটত। চুরি, ছিনতাই লেগে ছিল। ভয়ে সবাই ভূতবাবাকে স্মরণ করত।
1/6
ভূত বাবায় রক্ষা করে দুর্ঘটনা রাস্তার ধারেই বসে আছেন তিনি। আর বসে থেকেই তিনি কিন্তু রক্ষা করছেন পাশাপাশি চুরি ছিনতাই থেকেও রক্ষা করছেন তিনি এমনটাই কিন্তু বিশ্বাস এলাকাবাসীর মনে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
ভূত বাবায় রক্ষা করে দুর্ঘটনা রাস্তার ধারেই বসে আছেন তিনি। আর বসে থেকেই তিনি কিন্তু রক্ষা করছেন পাশাপাশি চুরি ছিনতাই থেকেও রক্ষা করছেন তিনি এমনটাই কিন্তু বিশ্বাস এলাকাবাসীর মনে। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
2/6
ভূতবাবা শিবের এক ভক্তের নাম। প্রতি বছর কৃষ্ণপক্ষের বিশেষ তিথিতে বারুইপুরের কৃষ্ণমোহন স্টেশন সংলগ্ন ভূতবাবার মন্দিরে বাৎসরিক পুজোর আয়োজন করা হয়। তিথি ধরে সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ওই মন্দিরে চলে বিশেষ পুজো। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
ভূতবাবা শিবের এক ভক্তের নাম। প্রতি বছর কৃষ্ণপক্ষের বিশেষ তিথিতে বারুইপুরের কৃষ্ণমোহন স্টেশন সংলগ্ন ভূতবাবার মন্দিরে বাৎসরিক পুজোর আয়োজন করা হয়। তিথি ধরে সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ওই মন্দিরে চলে বিশেষ পুজো। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
3/6
বাবার কাছে মানত করতে বারুইপুর সহ জয়নগর, মথুরাপুর, মন্দিরবাজার, কুলতলি থেকে কয়েক হাজার মানুষ এসেছিল মন্দিরে। পুরোহিত স্বপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিশেষ তিথির এই পুজোয় বাবার কাছে মানত করলে তাঁর জীবনে কোনও ক্ষতি হবে না। মানত করলে তা তাড়াতাড়ি পূরণ হবেই। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
বাবার কাছে মানত করতে বারুইপুর সহ জয়নগর, মথুরাপুর, মন্দিরবাজার, কুলতলি থেকে কয়েক হাজার মানুষ এসেছিল মন্দিরে। পুরোহিত স্বপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিশেষ তিথির এই পুজোয় বাবার কাছে মানত করলে তাঁর জীবনে কোনও ক্ষতি হবে না। মানত করলে তা তাড়াতাড়ি পূরণ হবেই। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
4/6
এইদিনে ভক্তদের ভোগ বিতরণও করা হয়। জনশ্রুতি আছে, আগে এই জায়গার নাম ছিল শূলিপোতা। শেওড়া গাছে পরিপূর্ণ ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিল এই এলাকা। একটি শেওড়া গাছের গোড়াতেই আগে পুজো দিত মানুষ। গাছে বাতাসা বেঁধে মানত করতেন মহিলারা। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
এইদিনে ভক্তদের ভোগ বিতরণও করা হয়। জনশ্রুতি আছে, আগে এই জায়গার নাম ছিল শূলিপোতা। শেওড়া গাছে পরিপূর্ণ ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিল এই এলাকা। একটি শেওড়া গাছের গোড়াতেই আগে পুজো দিত মানুষ। গাছে বাতাসা বেঁধে মানত করতেন মহিলারা। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
5/6
৪৫-৫০ বছর আগে আদি গঙ্গার পাশে এই জঙ্গল কেটেই হয়েছিল মন্দির প্রতিষ্ঠা। রবীন মণ্ডল স্থাপন করেছিলেন সেই মন্দির। কুমোরহাটের বাসিন্দা লক্ষণ চট্টোপাধ্যায় ও স্বপন চট্টোপাধ্যায় বংশ পরম্পরায় মন্দিরে পুজো করে আসছেন। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
৪৫-৫০ বছর আগে আদি গঙ্গার পাশে এই জঙ্গল কেটেই হয়েছিল মন্দির প্রতিষ্ঠা। রবীন মণ্ডল স্থাপন করেছিলেন সেই মন্দির। কুমোরহাটের বাসিন্দা লক্ষণ চট্টোপাধ্যায় ও স্বপন চট্টোপাধ্যায় বংশ পরম্পরায় মন্দিরে পুজো করে আসছেন। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
6/6
 এই জঙ্গলের পাশ দিয়ে গা ছমছমে পরিবেশে রাস্তায় যেতে নানা দুর্ঘটনা ঘটত। চুরি, ছিনতাই লেগে ছিল। ভয়ে সবাই ভূতবাবাকে স্মরণ করত। তখনই মন্দির নির্মাণের চিন্তাভাবনা হয়। ভূতবাবা এত জাগ্রত, মন্দিরের সামনে আজ পর্যন্ত কোনোও দুর্ঘটনা ঘটেনি। বাবা ঘটতে দেয়নি। সাধারণত প্রতি শনি, মঙ্গলবার বাবার পুজো হয়। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
এই জঙ্গলের পাশ দিয়ে গা ছমছমে পরিবেশে রাস্তায় যেতে নানা দুর্ঘটনা ঘটত। চুরি, ছিনতাই লেগে ছিল। ভয়ে সবাই ভূতবাবাকে স্মরণ করত। তখনই মন্দির নির্মাণের চিন্তাভাবনা হয়। ভূতবাবা এত জাগ্রত, মন্দিরের সামনে আজ পর্যন্ত কোনোও দুর্ঘটনা ঘটেনি। বাবা ঘটতে দেয়নি। সাধারণত প্রতি শনি, মঙ্গলবার বাবার পুজো হয়। (তথ্য ছবি সুমন সাহা)
advertisement
advertisement
advertisement