মালদহ জেলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান দূষ্য়ান্ত কুমার রাঘব জানান, “অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় মরশুমের ১৫ দিন আগেই মুকুল আসে মালদহ জেলায়। মুকুল আগে আসলেও কীট পতঙ্গের উপদ্রবের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এক্ষেত্রে চাষিদের বিশেষভাবে সচেতন থাকা প্রয়োজন।”
advertisement
তিনি আরও জানান, “এক্ষেত্রে চাষিদের নিয়মিত কৌশল মেনে পরিচর্যা করা প্রয়োজন। সর্বোচ্চ মোট তিনটি ধাপে জল স্প্রে করা যেতে পারে। প্রথম স্প্রের ক্ষেত্রে থিয়াক্লোপ্রিড ২১.৭% এসসি বা ইমিডাক্লোপ্রিড ১৭.৮% এসএল, থায়ামেথক্সাম ০.৫-০.৭ এমএল প্রতি লিটার জলে প্রয়োগ করতে হবে। দ্বিতীয় স্প্রের ক্ষেত্রে ল্যাম্বডা-সাইহালোথ্রিন ১ এমএল প্রতি লিটার জলে প্রয়োগ। তৃতীয়বারের ক্ষেত্রে স্পিনোস্যাড ৪৫% এসসি ০.৪ এমএল প্রতি লিটার জলে দিয়ে স্প্রে করতে হবে। ফল আসার পর ফলকে গাছে টেকসই রাখতে বরণ ১ গ্রাম প্রতি লিটার জলে দিয়ে স্প্রে করতে পারেন। এই পদ্ধতিতে ব্যাপক ফলনের পাশাপাশি রসাল এবং সুস্বাদু হবে।”
জেলার প্রায় ৩০০০ হেক্টরের অধিক এলাকা জুড়ে চাষ হয় লিচু। যার মধ্যে অন্যতম কালিয়াচক ও রতুয়া ব্লক এলাকা। জেলার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতির ক্ষেত্রে অন্যতম ভূমিকা দেখা দেয় লিচু চাষের। মালদহ জেলায় বিশেষত দেখা দেয় বোম্বাই লিচু প্রজাতির চাষের প্রবণতা, যা খেতে মূলত রসাল ও সুস্বাদু। পাশাপাশি বিখ্যাত রাজ্য ও দেশ-বিদেশে।





