প্রায় মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া প্ল্যাটফর্ম, লোহার তারের জালি দেওয়া বুকিং কাউন্টারে উনিশ শতকে ভারতীয় রেলের খণ্ডচিত্র এখনও উঠে আসবে এখানে। সেই স্টেশনটি আজও উপেক্ষিত। বজবজ স্টেশন থেকে লাইন ধরে হাঁটলে ডান হাতে দেখা মিলবে এই স্টেশনটির। স্টেশনের যে ঘরে বিবেকানন্দ বিশ্রাম নিয়েছিলেন, সেটি এখন ইয়ার্ড মাস্টারের ঘর। সেই ঘরে বেসরকারি সংস্থার তৈরি স্বামীজির একটি মূর্তি আর দেওয়ালে টাঙানো কয়েকটি ছবির কোলাজ রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ফের আসানসোল ডিভিশনে বাতিল থাকবে লোকাল, না জেনে বেরোলেই ফাঁসবেন! দেখে নিন তালিকা
১৯৮৬ সালে গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের তৎকালীন অধ্যক্ষ স্বামী লোকেশ্বরানন্দ মহারাজের শিলান্যাস করা একটি স্মারক ফলক স্টেশনের একদিকের দেওয়ালে আটকানো রয়েছে। একসময় এই স্টেশনটির হেরিটেজ তকমা পাওয়ার লড়াই চালিয়েছিলেন বজবজ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান গণেশ ঘোষ। পুরাতন স্টেশনটি ঐতিহ্য নিয়ে বজবজে দাঁড়িয়ে থাকে সারাবছর। তবে প্রতিবছর এই দিনটি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এবছর প্ল্যাটফর্মে বিবেকানন্দের মূর্তিতে মাল্যদান করেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী স্বাস্হ্যজ্ঞানানন্দ মহারাজ, সংশ্লিষ্ট মিশন বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক স্বামী ইষ্টেশানন্দ, বজবজ পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম দাশগুপ্ত, কাউন্সিলর কৌশিক রায়, বজবজ বিবেকানন্দ স্মারক কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক শুভময় ঘোষ এবং স্মৃতিরঞ্জন ঘোষ, স্টেশনমাস্টার ভিকে সিরকা।





