বর্তমান সময়ে সাইবার ক্রাইম এর সংখ্যা বাড়ছে। সাইবার ক্রাইমে ইলেকট্রনিক্স এভিডেন্স এর গুরুত্ব অপরিসীম। এর পাশাপাশি অন্যান্য যে কোন মামলায় অপরাধীদের সাজা দিতে ইলেকট্রনিক্স এভিডেন্সের সহায়তা নিচ্ছেন আইনজীবীরা। কারণ প্রায় প্রতিটি অপরাধ সংগঠিত হওয়ার ক্ষেত্রে স্মার্টফোন বা যে কোন ধরনের ইলেকট্রনিক্স গেজেট কোন না কোন ভাবে সংযুক্ত থাকছে।
আরও পড়ুন - মিথ্যে নয় একেবারে সত্যি! হিমঝড়ের সতর্কবার্তা, রাজস্থানের মরুভূমি ঢেকে গেল বরফে
advertisement
তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা কিভাবে এই ইলেকট্রনিক্স এভিডেন্স সংগ্রহ করবে আবার আদালতে মামলা চলাকালীন আইনজীবীরা ইলেকট্রনিক্স এভিডেন্স আদালতে পেশ করবে তা নিয়ে বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (সাইবার ক্রাইম) বিভাস চট্টোপাধ্যায়৷
আরও পড়ুন- মকর সংক্রান্তিতে কেন হাজার হাজার পুণ্যার্থীদের সমাগম হয় জয়দেব কেন্দুলিতে
প্রশিক্ষণ শিবিরে থানার পুলিশ কর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার অমরনাথ কে অতিরিক্ত জেলাশাসক সাধারণ সৌভিক চট্টোপাধ্যায়, জেলা আইনি সহায়তা কর্তৃপক্ষের সচিব সমরেশ বেরা সহ অন্যান্য। বর্তমান সময়ে প্রতারকরা যেভাবে নানা কৌশেলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া হোক বা এটিএম নিয়ে প্রতারণা করে চলেছে তা প্রতিরোধ করতে আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে ক্রাইম করছে এবং ক্রাইমের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা যায় তা এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। পুলিশ সুপার অমরনাথ কে এবং জেলা আইনী সহায়তা কর্তৃপক্ষের সচিব জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা অনেকটাই ক্রাইম প্রতিরোধ করতে পারবে। সেই সঙ্গে ক্রাইমে যুক্ত ব্যক্তিদের চিন্থিত করে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা যাবে। ক্রাইম প্রতিরোধে আমাদের এই উদ্যোগ।
Saikat Shee





