গোপনে খবর পাওয়ার পরই যৌথভাবে অভিযান চালায় পুলিশ, প্রশাসন ও আবগারি দফতর। বেআইনিভাবে চাষ করা জমিতে পৌঁছে পোস্ত গাছ কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়। অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৪০ কেজি পোস্ত গাছ ও ঢুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশের অনুমান, এই পোস্ত গাছ থেকেই মাদকের কাঁচামাল সংগ্রহ করে পাচারের পরিকল্পনা ছিল। নদীর তীরে চাষিরা গোপনে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা পুরো এলাকা ঘিরে তল্লাশি চালান। নষ্ট করে দেয় বেআইনি পোস্ত চাষ।
advertisement
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পটাশপুর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও করিমুল ইসলাম, মহকুমা পুলিশের আধিকারিকেরা এবং আবগারি বিভাগের কর্মীরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বেআইনি মাদক উৎপাদন রুখতেই এই অভিযান চালান হয়। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তদন্তকারীরা আশপাশের এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছেন। জমির মালিক ও চাষের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কারা এই চাষের মূল মাথা তা খুঁজে বের করা হচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানান, “মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে কয়েক বিঘা বেআইনি পোস্ত চাষ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” প্রসঙ্গত, পোস্ত গাছের আঠা থেকেই আফিম তৈরি হয়। সেই কারণেই অনুমতি ছাড়া পোস্ত চাষ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এক বিঘা জমিতে পোস্ত চাষ করলে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লাভ হতে পারে। সরকারিভাবে কোথাও পোস্ত চাষ হলেও উৎপাদনের পর খোলাগুলি নষ্ট করে দেওয়া হয়, যাতে তা মাদক তৈরিতে ব্যবহার না হয়।





