সেখানেই দুবরাজপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থীকে দেখে গ্রামের বাসিন্দারা আবদার করে বলেন, ‘সামনে বিধানসভা নির্বাচন ভারতীয় জনতা পার্টিকে হারাতে হবে, তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিন। যেমন ভাবে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থীদের মাঠে হাঁড়ি ভাঙতে হবে ঠিক তেমন ভাবে আজকে আপনি এই মাটির হাড়ি ভেঙে তার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলুন।’
advertisement
গ্রামবাসীদের আবদারে চোখে কাপড় বেঁধে হাতে বাঁশ নিয়ে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেন হাড়ি ভাঙার জন্য। চোখ বন্ধ অবস্থায় এদিক-ওদিক করতে করতে অবশেষে তিনি পৌঁছে যান মাটির হাঁড়ির কাছে। হাতের মধ্যে থাকা বাঁশ দিয়ে সজোরে মারেন মাটির হাঁড়ির উদ্দেশ্যে। তবে সেই বাঁশ গিয়ে লাগে মাটিতে। ফলে মাঠে ‘বিজেপির মাটির হাঁড়ি’ ভাঙতে পারলেন না প্রার্থী।
আরও পড়ুন: ৩০ দিনে মোদি ১৪-শাহ ৮ র্যালি! বাংলায় ভোটপ্রচারে ঝড় তুলতে বিজেপির বড় প্ল্যান, কী কী হবে?
তৃণমূল প্রার্থী নরেশচন্দ্র বাউরি মাটির হাঁড়ি না ভাঙতে পারলেও তিনি দাবি করেন, “এই ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে আমি বিজেপি প্রার্থীকে অতিরিক্ত ভোটে হারিয়ে নিজে জয়যুক্ত হব।” অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী অনুপ কুমার সাহা বলেন, ‘চোখে কাপড় বেঁধে বিজেপিকে হারানো কখনও সম্ভব নয়। ২৩ এপ্রিল ভোট বাক্সে ভোট দিয়ে দুবরাজপুরের মানুষ সেটা বুঝিয়ে দেবেন।’






