TRENDING:

Trending GK: মাইক্রোফোনে একদিন ‘হ্যালো’ বলা দিয়ে শুরু, আজ বাংলা-ওড়িশার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইনি, চিনুন

Last Updated:

Trending GK: তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রথম মাইক্রোফোন হাতে নিয়েছিলেন। একটি অনুষ্ঠানে ‘হ্যালো’ বলেই শুরু হয়েছিল যাত্রা। সেই মুহূর্তটাই বদলে দেয় তাঁর জীবন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর, মদন মাইতি: মাইক্রোফোনে ‘হ্যালো’ বলা থেকেই শুরু। আজ বাংলা-ওড়িশার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তিনি। সেই ছোট্ট শখই আজ তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্যের শিখরে। তাঁর কণ্ঠের যাদুতে মুগ্ধ বাংলা ও ওড়িশা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার হরিপদ পন্ডা আজ পরিচিত নাম। ছোটবেলা থেকেই শব্দ আর কণ্ঠস্বরের প্রতি ছিল অদ্ভুত টান। স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মাইক হাতে পেলেই যেন বদলে যেত তার আত্মবিশ্বাস। সহপাঠীরা মুগ্ধ হয়ে শুনত তার কথা বলার ভঙ্গি আর গলার স্বর। শিক্ষকরা উৎসাহ দিতেন। তখনও কেউ ভাবেননি, সেই সাধারণ শখই একদিন তাকে নিয়ে যাবে বড় মঞ্চে। গ্রামের সাধারণ পরিবেশ থেকেই শুরু হয়েছিল তার স্বপ্ন দেখার পথচলা।
advertisement

তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রথম মাইক্রোফোন হাতে নেওয়া। একটি ছোট অনুষ্ঠানে ‘হ্যালো’ বলেই শুরু হয়েছিল তার যাত্রা। সেই মুহূর্তটাই যেন বদলে দেয় তার জীবন। বাড়ি ফিরে প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনুশীলন করতেন। বিভিন্ন ঘোষকের কণ্ঠ শুনে নকল করার চেষ্টা করতেন। ধীরে ধীরে নিজের আলাদা স্টাইল তৈরি করেন। শুরুতে স্থানীয় দোকান ও ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের রেকর্ডিং করতেন। পারিশ্রমিক খুব বেশি ছিল না। কিন্তু, শেখার আগ্রহ ছিল প্রবল। রাত জেগে রেকর্ডিং শুনে ভুল শুধরে নিতেন। পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও থেমে যাননি। নিয়মিত চর্চাই তাকে এগিয়ে দিয়েছে পরবর্তী ধাপে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ আঙুরের গায়ের সাদা আস্তরণ খুবই ‘বিষাক্ত’! শুধু জল দিয়ে ধুলেই হবে না, পরিষ্কার করার সঠিক উপায় জানুন, নচেৎ শরীরের প্রচুর ক্ষতি

এরপর একের পর এক বড় সুযোগ আসতে থাকে। ছোট বিজ্ঞাপন থেকে বড় মার্কেটিং ভয়েস রেকর্ডিংয়ের দায়িত্ব পান তিনি। বিভিন্ন সংস্থা তাদের প্রচারের জন্য তার কণ্ঠ বেছে নিতে শুরু করে। শুধু রেকর্ডিং নয়, মঞ্চ সঞ্চালনেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। জেলার অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যস্তরের মঞ্চেও ডাক পড়তে থাকে। ধীরে ধীরে তার পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়িয়ে ওড়িশা পর্যন্ত। স্পষ্ট উচ্চারণ, আবেগময় উপস্থাপনা এবং শক্তিশালী কণ্ঠ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। শ্রোতারা তার কণ্ঠ শুনলেই চিনে ফেলেন। বহু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নতুন প্রচারের আগে তার সময় পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে।

advertisement

আরও পড়ুনঃ পকেট থেকে খসবে না অতিরিক্ত টাকা! এবারে ট্রেনে চেপেই সোজা পৌঁছন রাজাভাতখাওয়া, কীভাবে জানুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
সরকারি কাজের জন্য আর হয়রানি নয়! ঘরে বসেই সরকারি প্রকল্পে আবেদন করুন
আরও দেখুন

গ্রামবাংলার মাটি থেকে উঠে এসে কঠোর পরিশ্রম আর প্রতিভার জোরেই তিনি হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। এখনও নিজেকে শিক্ষার্থী বলতেই ভালবাসেন তিনি। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করেন। তরুণদের জন্য তাঁর বার্তা একটাই, স্বপ্ন দেখতে হবে। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে। তার মতে, বড় শুরু নয়, ছোট পদক্ষেপই মানুষকে সামনে এগিয়ে দেয়। সেই ছোট্ট ‘হ্যালো’ আজ হাজার মানুষের অনুপ্রেরণা। সত্যিই ইচ্ছে থাকলে সামান্য সুযোগ থেকেও তৈরি হতে পারে বড় সাফল্য। নিজের কণ্ঠের জাদুতে তিনি প্রমাণ করেছেন, পরিশ্রম আর অধ্যবসায় থাকলে গ্রামের মাটিও আন্তর্জাতিক পরিচয়ের পথ খুলে দিতে পারে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পাঁচমিশালি/
Trending GK: মাইক্রোফোনে একদিন ‘হ্যালো’ বলা দিয়ে শুরু, আজ বাংলা-ওড়িশার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইনি, চিনুন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল