নদীর ওপর থাকা প্রায় ২৬২ মিটার দীর্ঘ সেতুর নিচের অধিকাংশ পিলারেই নেই জল, যা পরিস্থিতির গভীরতা স্পষ্ট করছে। স্থানীয় বাসিন্দা ধরমবির বাঁশফোর জানান, “রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নদীতে সারা বছর জল থাকে না। বছরে মাত্র দু’মাস শ্রাবণ ও ভাদ্রে জল বাড়ে, তখন বন্যার পরিস্থিতিও তৈরি হয়। কিন্তু বাকি সময় নদী প্রায় শুকনো। উপরন্তু শহরের আবর্জনায় নদীর জল আরও দূষিত হচ্ছে।”
advertisement
নদীতে খেলতে আসা যুবক বিজু মালি বলেন, “জল না থাকায় বিকেলে সবাই এখানে খেলতে আসে। এখন এটি একপ্রকার মাঠে পরিণত হয়েছে। তবে বর্ষায় জল এলে আবার সমস্যা হয়।”
এ বিষয়ে পৌরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী জানান, “খরার মরশুমের কারণে নদীর জল কমেছে। তবে মহানন্দা সংস্কারের জন্য একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নদীতে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে খনন কাজের মাধ্যমে নদী পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া মহানন্দা ও বেহুলা দুই নদীর এই করুণ অবস্থা পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষার ক্ষেত্রে বড় প্রশ্ন তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পনার অভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই জেলার অধিকাংশ নদীর এমন দুরবস্থা তৈরি হয়েছে।
JM Momin





