মুর্শিদাবাদ জেলায় শাসক দলকে তিনি বড়সড় ধাক্কা দেবেন বলেও দাবি করেছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল নেতা৷ যদিও হুমায়ুনকে এবার তাঁর জেলাতেই পাল্টা চাপে ফেলল শাসক দল৷
শুক্রবার বহরমপুর জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে মুর্শিদাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শাওনী সিংহ রায়ের হাত ধরে প্রায় শতাধিক কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলে যোগদান করেন জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা সফিকুল ইসলাম৷ দলবদলের পর তিনি বলেন, ‘দলের সঙ্গে মনমালিন্য হওয়ায় তৃণমূল ছেড়ে হুমায়ুন কবীরের হাত ধরে জনতা উন্নয়ন পার্টিতে যোগদান করেছিলাম। কিন্তু জনতা উন্নয়ন পার্টিতে থেকে কোনওভাবেই বিজেপিকে শক্তিশালী করতে চাই না। সেই কারণেই বিজেপিকে রুখতে তৃণমূলে ফিরে এলাম৷’
advertisement
তৃণমূল ইতিমধ্যেই হুমায়ুনের নতুন দলকে বিজেপি-র বি টিম বলে প্রচার শুরু করেছে৷ হুমায়ুনের দল ছেড়ে বেরিয়ে এসে সফিকুল ইসলাম যে অভিযোগ তুললেন, তাতে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধানের অস্বস্তি বাড়ল৷ মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শাওনি সিংহ রায়ে দাবি, সফিকুল ইসলাম সহ বাকি কর্মীদের যোগদানে ভোটের আগে ওই কেন্দ্রে শাসক দলের শক্তি অনেকটাই বাড়ল৷
বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যের শাসক দলকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে আসাদউদ্দিন ওয়াইসির এআইএমআইএম-এর সঙ্গে জোট বেঁধেছেন হুমায়ুন কবীর৷ রাজ্যে দুশোর বেশি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জনতা উন্নয়ন পার্টি এবং মিম-এর জোট৷ গোটা রাজ্যে না হলেও মুর্শিদাবাদে ভোট কাটাকাটির ক্ষেত্রে হুমায়ুনের নতুন দল ফ্যাক্টর হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও৷ হুমায়ুন নিজে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন৷
