দিন কয়েক ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন সমুদ্র উপকূলবর্তী জায়গায় অথবা নদনদী থেকে উঠছে বিশালাকৃতির মাছ। বর্ষার মরশুম শেষ হয়ে গেলে সাধারণত মৎস্যজীবীদের জালে সেই ভাবে এত বড় বড় মাছ উঠতে দেখা যায় না। তবে এই বছর এই বিশালাকৃতির মাছ ওঠার ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। বিশাল বিশাল মাছ মৎস্যজীবীদের জালে ওঠার ক্ষেত্রে সবার প্রথম রয়েছে দিঘা। সেখানে তেলিয়া ভোলা, চিরুনিফাল মাছ ইত্যাদির পর এ বার জালে উঠল চিল শংকর।
advertisement
আরও পড়ুনঃ অশোকনগরের পর বনগাঁয় ফের খনিজ তেলের সন্ধানের ইঙ্গিত, শুরু পরীক্ষা-নিরীক্ষা
বিশালাকৃতির এই চিল শংকরমাছটি ওঠে কৈলাস বর নামে এক মৎস্যজীবীর ট্ৰলারে। যে ট্রলারে এই মাছটি উঠেছে সেই ট্রলারটির নাম হল মা দুর্গা ট্রলার। এই মাছটি ধরার পর তা দিঘা মোহনা মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে আনা হয়। বিশালাকৃতির এই মাছটি দেখতে রীতিমত ভিড় জমে সাধারণ মানুষদের এবং ছবি তোলায় হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। বিশালাকৃতির ওই চিল শংকরমাছটির ওজন ৫০০ কেজি বলে জানা গিয়েছে মৎস্যজীবীদের থেকে। বিশাল আকৃতির ওই মাছটি দিঘার এসএসবি আড়তে আনা হয় এবং সেখানে নিলাম করা হয়। তবে এত বড় মাছ বিক্রির ক্ষেত্রে হিমশিম খেতে হয় মৎস্যজীবীদের বলে জানা যাচ্ছে। অনেক দামদরের পর কলকাতার একটি সংস্থা এই মাছটি কিনে নেয়।
সাধারণত বিশালাকৃতির এই সকল মাছ মৎস্যজীবীদের জালে ওঠার পর তা বিক্রি করার সময় দেখা যায় লক্ষ লক্ষ টাকা নিলামে ওঠে। এই নিয়েই সাধারণ মানুষদের মধ্যে কৌতুহল সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য। কিন্তু এই মাছটি বিক্রি করে পাওয়া যায় মাত্র ২০ হাজার টাকা। তাও আবার অনেক দরদামের পর। হিসাব কষলে দেখা যাবে মাত্র ৪০ টাকা প্রতি কেজি দরে মাছটি বিক্রি হয়েছে। গৌরাঙ্গ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, '৫০০ কেজি ওজনের এই চিল শঙ্কর মাছটি কৈলাস বরের মা দুর্গা ট্রলারে ওঠে এবং তা এসএসবি কাঁটায় বিক্রি করা হয়। কলকাতার একটি সংস্থা এই মাছটি কিনে নেয় ২০ হাজার টাকায়।'
Saikat Shee





