কলকাতা পুলিশের দ্বিতীয় ব্যাটেলিয়ানের ড্রাইভার গোবিন্দ দাস৷ কাজ থেকে ছুটির পরে কলকাতা থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন৷ সেই সময় খড়দহ থানার সামনে সিগন্যাল লাল হয়ে যায়৷ গোবিন্দ দাস সেই সিগন্যাল দেখে দাঁড়িয়ে পড়েন৷ সেই সময় পিছন থেকে একটি মিলিটারি লরি এসে তাঁকে ধাক্কা মারে বলে অভিযোগ৷ সেই ধাক্কায় পড়ে যান তিনি। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহযোগিতাতেই তাঁকে খড়দহ বলরাম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি৷ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া মাত্রই চিকিৎসকেরা তাঁকে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে।
advertisement
এরপরে খবর দেওয়া হয় গোবিন্দ দাসের বাড়িতে৷ খবর যায় কলকাতা পুলিশেও। পরিবারের লোকেরা এবং কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা খড়দহ থানায় আসেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, সিগন্যাল লাল থাকা সত্ত্বেও কী করে মিলিটারির গাড়িটি ধাক্কা মেরে চলে যায় এবং একটি মানুষ পড়ে গেল তাকে না দেখে পুলিশ সেই গাড়িটিকে ব্যারাকপুর লাটবাগানে যেতে সাহায্য করে!
আরও পড়ুন: নর্দমায় বেড়ে বেধড়ক মারধর! খানাকুলে আক্রান্ত শাসকদলেরই প্রার্থী, এলাকা তোলপাড়
গোবিন্দ দাসের বয়স ৫৮৷ বাড়ি হো চি মিন নগর কলোনি, সদর বাজার ব্যারাকপুর। গোবিন্দ দাসের দুই মেয়ে এক ছেলে এবং স্ত্রী বর্তমান। বড় মেয়ে ব্যারাকপুর কোর্টের উকিল। পরিবারের পক্ষ থেকে যে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে তার কঠোর শাস্তির দাবি করা হয়েছে।
অরুণ ঘোষ






