advertisement

North 24 Parganas News: প্রয়াত এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায়, শোকস্তব্ধ কাঁচরাপাড়া

Last Updated:

কালে হাসপাতাল পৌঁছে শুভ্রাংশু জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন। তিনিই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বরা খোঁজ নিয়েছেন।

+
শোকস্তব্ধ

শোকস্তব্ধ কাঁচরাপাড়া

advertisement
উত্তর ২৪ পরগনা, রুদ্র নারায়ণ রায়: প্রয়াত মুকুল রায়! ৭২ বছর বয়সে প্রয়াত রাজনীতিবিদ। একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রবীন নেতা। রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’।
advertisement
১৯৫৪ সালের ১৭ এপ্রিল জন্ম মুকুল রায়ের। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসির ডিগ্রি, তারপর ২০০৬ সালে পাব্লিক অ্যাডমিনিসট্রেশন নিয়ে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন। তবে ততদিনে তিনি বাংলার রাজনীতির পরিচিত মুখ হয়ে গিয়েছেন। কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। ১৯৯৮ সালে যখন জাতীয় কংগ্রেস ভেঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন, তখন ছায়াসঙ্গীর মতো মমতার পাশে ছিলেন মুকুল রায়। একসময়ে তৃণমূলের তিলজলার পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন। জেলা থেকে শহর, প্রতিটি ব্লক বা বুথ স্তরে পরিচিতি ছিল তাঁর। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূল স্তরে গিয়ে সংগঠন করেছিলেন মুকুল। ২০০৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয় তাঁকে। দলের ‘সেকেন্ড ইন কম্যান্ড’ ছিলেন তিনি। ২০০১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন । তবে হেরে যান ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী হরিপদ বিশ্বাসের কাছে। কিন্তু থেমে থাকতে জানতেন না মুকুল। ২০০৬ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন। দিল্লিতে তৃণমূলের মুখ ছিলেন রাজনীতিবিদ। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন
advertisement
কাঁচরাপাড়ার মুকুল রায়ের বাসভবন যুগলরেখার সামনে সকাল থেকেই বহু মানুষ ভিড় করেছেন. প্রয়াত নেতাকে শেষ দেখার জন্য পাশাপাশি স্থানীয় মানুষজন মুকুল রায়ের রাজনৈতিক জীবনের নানা ঘটনা স্মৃতির কথা তুলে ধরেছেন। কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন উপ- পুরপ্রধান মাখন সিনহা বলেন, মুকুল রায় যা বলতেন তাই শোনা হত। বিশেষ করে কাঁচরাপাড়া এলাকার মানুষ একজন অভিভাবককে হারাল, যা রাজনৈতিক ক্ষতি। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন। বিধানসভায় তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পর, দেহ নিয়ে আসা হয় কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে। 
advertisement
রাতেই হাসপাতাল থেকে ফোন আসতেই ছুটে যান ছেলে শুভ্রাংশু রায়। প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় কার্যত ভেঙে পড়েন মুকুল পুত্র। বাবার মৃত্যুতে ধরে রাখতে পারেননি আবেগ। বলেন, “বাবা ছিলেন রাজনৈতিক অভিভাবক। রাজনৈতিক বন্ধুর মতো। যেটুকু যা শিখেছি সব বাবার কাছেই। জীবনের সব কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছি বাবাকে। বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছেন বার বার। এ যেন এক অদ্ভুত শূন্যতা।”
view comments
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
North 24 Parganas News: প্রয়াত এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায়, শোকস্তব্ধ কাঁচরাপাড়া
Next Article
advertisement
BAFTA 2026: ভারতের জন্য সুখবর, BAFTA-এ বিশেষ সম্মান পেল ফারহান আখতরের মণিপুরী ভাষার ছবি 'বুং'
ভারতের জন্য সুখবর, BAFTA-এ বিশেষ সম্মান পেল ফারহান আখতরের মণিপুরী ভাষার ছবি 'বুং'
  • মণিপুরী ভাষার সিনেমা "বুং" পেল BAFTA পুরস্কার

  • সেরা শিশু ও পারিবারিক ছবির (Best Children’s & Family Film) জন্য বাফটা সম্মান

  • ফারহান আখতারের এক্সেল এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত এই ছবি

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement