রবিবার গভীর রাতে ই এম বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে প্রয়াত হন মুকুল রায়৷ ৭২ বছর বয়সে প্রয়াত হন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ৷ মুকুল রায়ের প্রয়াণের খবর পাওয়ার পরই শুভ্রাংশুকে ফোন করেন অভিষেক৷ হাসপাতালে দাঁড়িয়েই শুভ্রাংশু জানান, মুকুল রায়ের শেষ যাত্রার যাবতীয় ব্যবস্থা অভিষেকই করে দিয়েছেন৷
হাসপাতাল থেকে মুকুল রায়ের দেহ বিধানসভায় নিয়ে আসা হয়৷ সেখানে পৌঁছে মুকুল রায়কে শ্রদ্ধা জানান অভিষেক৷ বিধানসভা থেকে মুকুল রায়ের মরদেহ কাঁচরাপাড়ায় তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানেও পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেখান থেকে মিছিল করে মুকুল রায়ের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় হালিশহর মহাশ্মশানে৷ শুভ্রাংশুর সঙ্গে মুকুল রায়ের সেই শেষ যাত্রাতেও পা মেলান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷
advertisement
অভিষেকের আগে মুকুল রায়ই দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন৷ মুকুল রায়ের দলত্যাগের পর সেই দায়িত্ব পেয়েছিলেন অভিষেক৷ এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্বেই রয়েছেন৷ সে অর্থে নিজের পূর্বসূরিকে শেষ যাত্রায় প্রাপ্য সম্মান জানালেন অভিষেক৷
এক্স হ্যান্ডেলেও মুকুল রায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে অভিষেক লেখেন, ‘মুকুল রায়ের প্রয়াণে শেষ হল বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসের একটা অধ্যায়৷ একজন অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতা৷ এই রাজ্যের সাধারণ জনগণের তথা রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সৃষ্টির অন্যতম সেনানি৷ সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য৷ শুরু দিন থেকেই যিনি দলের সাংগঠনিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন৷ জনজীবনের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হবে।’
