আরও পড়ুন: কাঠ ছেড়ে লোহার ঢাকের দিকে ঝুঁকছেন ঢাকিরা, দামে কম-ওজনের হালকা! কোথায় পাবেন দেখুন
বহরমপুর রবীন্দ্র সদনে রূপবানের মত বিলুপ্ত হতে চলা লোকশিল্পকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায় এবং পরবর্তীতে কীভাবে এই রূপবান পালাকে আরও বড় আকারে রাজ্যের মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া যায় সেই নিয়েই আলোচনাসভা বসেছিল। মুর্শিদাবাদের পুরনো লোকসংস্কৃতি হচ্ছে রূপবান পালা। তারই অঙ্গ হিসেবে বেহুলা সুন্দরী সহ বিভিন্ন মানুষের কাছে সুফল বার্তা দিতেই রুপবান পালার আয়োজন করা হত আগে। আগে এই পেশার সঙ্গে অনেকেই যুক্ত ছিলেন। তবে বর্তমানে মাত্র ৭ থেকে ৮ জন এই পালার সঙ্গে যুক্ত আছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ চাষি তো আবার কেউ দিনমজুর। নিজস্ব সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে তাঁরা সারাদিন উদায়স্ত পরিশ্রমের পরও রূপবান পালায় অভিনয় করেন।
advertisement
বর্তমানে মেয়েরাও যে অসাধ্য সাধন করতে পারে, সেটাই রুপবান পালার মধ্যে দিয়েই দেখানো হয়। এই লোকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের কথায়, বর্তমানে হারিয়ে গেছে এই শিল্প। তবে বর্তমানে যুব সম্প্রদায় মোবাইলে আসক্ত। ফলে তাদের অনেকে এই নিজস্ব শিল্পকলা সম্বন্ধে জানেই না। এখন আর গ্রাম বাংলায় আর কোনও অনুষ্ঠানে রূপবান পালা পরিবেশন করা হয় না, ফলে ডাক পান না এর সঙ্গে যুক্ত শিল্পীরা। এখন দেখার সরকারি উদ্যোগে আবার এই লুপ্তপ্রায় লোকশিল্পের পুনরুজ্জীবন ঘটে কিনা।
কৌশিক অধিকারী





