TRENDING:

Murshidabad News: তাঁর জন্যই শান্তিতে বসবাস হাজার টিয়া! দিনরাত গাছ পাহারায় চাঁদমিঞা, কে এই ব্যক্তি 

Last Updated:

Murshidabad News: এ যেন রক্তের সম্পর্ক নয়৷ কিন্তু তাতে কি এসে যায়, একে আত্মার সম্পর্ক বলা চলে৷ হাজার হাজার টিয়ার সঙ্গে এক বৃদ্ধের৷

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
মুর্শিদাবাদ: টিয়া পাখি চুরি আটকাতে এক অভিনব উদ্যোগ। আজও গাছ পাহাড়া দিয়ে আসছেন চাঁদ মিঞা। মুর্শিদাবাদের নওদার কুঠিপাড়া গ্রামের বিশাল কড়াই গাছকে ঘিরেই হাজার হাজার টিয়ার সঙ্গে প্রবীণ চাঁদ মিঞার এই বন্ধন গড়ে উঠেছে৷ আর চাঁদ মিঞার সৌজন্যেই এই কড়াই গাছের সামনে কয়েক হাজার টিয়ার কলরবে থমকে দাঁড়ান বহু মানুষ৷ বৃদ্ধ তাঁদের এগিয়ে গিয়ে বলেন, “পাখি দেখছো দেখো, পাখি চুরি করতে যেও না।”
advertisement

এ যেন রক্তের সম্পর্ক নয়৷ কিন্তু তাতে কি এসে যায়, একে আত্মার সম্পর্ক বলা চলে৷ হাজার হাজার টিয়ার সঙ্গে এক ছাপোষা বৃদ্ধের৷ টিয়ারা কেউ বৃদ্ধের পোষ মানা নয়৷ কিন্তু ওই বৃদ্ধের জন্যই কয়েক হাজার টিয়া নিশ্চিন্তে ঘর বেঁধেছে একটি গাছে৷

নওদার চাঁদপুরের কুঠিপাড়া গ্রামে রাজ্য সড়কের পাশেই রয়েছে এই বিশাল কড়াই গাছ৷ স্থানীয়রাই জানাচ্ছেন, গাছটি ব্রিটিশ আমল থেকে এখানে রয়েছে৷ গাছের বয়সেরও হয়ত গাছ পাথর নেই৷ এক সময় ব্রিটিশদের নীলকুঠি ছিল এই এলাকায়৷ তার থেকেই এই গ্রামের নাম হয় কুঠিপাড়া৷ সেই কুঠিপাড়ারই এখন অন্যতম আকর্ষণ এই কড়াই গাছ৷

advertisement

প্রাচীন এই কড়াই গাছের মূল আকর্ষণ তাতে বাসা বাঁধা হাজার হাজার টিয়া৷ সংখ্যাটা প্রায় তিন থেকে চার হাজার হবে বলেই দাবি চাঁদ মিঞার৷ এই কড়াই গাছের থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই চাঁদ মিঞার বাড়ি৷ কিন্তু দিনের বেশির ভাগ সময়টা গাছতলায় বসে টিয়া পাখিদের দিকে তাকিয়েই কেটে যায় চাঁদ মিঞার৷ বলা ভাল, টিয়াগুলিকে পাহাড়া দেন তিনি৷ যাতে চোরা শিকারী বা অন্য কেউ গাছের মধ্যে থাকা পাখির ছানাদের চুরি না করতে পারে৷ দিনে হোক বা রাতে, চাঁদ মিঞার কড়া নজরদারি চলে গাছের উপরে৷ আর তাতেই নিশ্চিন্ত টিয়ার দল৷

advertisement

View More

আরও পড়ুন: প্রায় ১০ বছর পরে মামারবাড়ি গেলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, ঘুরে দেখলেন ঘরদোর, গ্রাম

আরও পড়ুন: প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে মোকা! সুন্দরবনের নদীবাঁধ পরিদর্শনে বিডিও প্রশাসনিক কর্তারা

একসঙ্গে হাজার হাজার টিয়া পাখির এই কলরব শুনে গাছের সামনে থমকে দাঁড়ান বহু মানুষ৷ তাতে অবশ্য আপত্তি নেই চাঁদ মিঞার৷ কিন্তু বেগতিক দেখলেই লাঠি হাতে রুখে দাঁড়ান তিনি৷ চাঁদ মিঞার কথায়, “আমার জীবন থাকতে এই গাছের পাখি কাউকে ধরতে দেব না৷ অনেকে আসে দেখে, ছবি তোলে৷ কেউ পাখি দেখতে আসলেও বলে দিই পাখি দেখছো দেখো, কিন্তু বাসা থেকে পাখি পেড়ে নেওয়া চলবে না৷ সারাদিন আমি এই গাছের তলাতেই থাকি৷”

advertisement

যখন বাড়ি যান, সেখান থেকে চাঁদ মিঞার নজর থাকে গাছের দিকে৷ ছাদে উঠেও গাছের ডালে ডালে চোখ বুলিয়ে দেখে নেন তিনি৷ তবে ভয় বেশি রাতে৷ তখনও অবশ্য সজাগ থাকেন চাঁদ মিঞা৷ আর এই গাছ নিরাপদ জেনেই হয়তো হাজার হাজার টিয়া সেখানেই সংসার পেতেছে৷ তবে চাঁদ মিঞার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা ।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
জঙ্গলমহলে অগ্নিকাণ্ড! কেশিয়াড়িতে পর পর আগুনে পুড়ে ছাই একাধিক বাড়ি, দোকান! আতঙ্ক
আরও দেখুন

কৌশিক অধিকারী

বাংলা খবর/ খবর/মুর্শিদাবাদ/
Murshidabad News: তাঁর জন্যই শান্তিতে বসবাস হাজার টিয়া! দিনরাত গাছ পাহারায় চাঁদমিঞা, কে এই ব্যক্তি 
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল