প্রথম ঘটনাটি ঘটে কেশিয়াড়ি ব্লকের নছিপুর এলাকায়। স্থানীয় একটি চা ও মিষ্টির দোকানে হঠাৎই আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে এবং দ্রুত বিধ্বংসী আকার ধারণ করে। দোকান থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা প্রথমে জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতায় এতটাই ছিল খবর দেওয়া হয় দমকলে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে কোনওভাবে এই আগুন লাগে। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে পুরো দোকান ঘর ও দোকানে থাকা জিনিসপত্র।
advertisement
এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যার দিকে কেশিয়াড়ি ব্লকেরই কুসুমপুর এলাকায় ফের অগ্নিকাণ্ড ঘটে। একটি মাটির বাড়িতে আচমকাই আগুন লাগে। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। সেই সঙ্গে গবাদি পশুগুলিকেও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে আগুনের ভয়াবহতায় পাশাপাশি থাকা দুটি মাটির বাড়ি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ চুম্বকের মতো ঘরে টাকা টেনে আনে এই ‘৭’ গাছ, কিন্তু জানেন কী কোন দিকে লাগাবেন? জানুন বাস্তুবিদের নিদান
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুসুমপুর এলাকার অন্নদাচরণ ভোল এবং রাকেশ ভোলের বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বাড়ির ভিতরে থাকা আসবাবপত্র, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সবই আগুনে পুড়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বাসিন্দারা জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও পরে খবর দেওয়া হয় দমকলে। দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। একই ব্লকে পরপর দু’টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় রীতিমত আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত। দুটি ঘটনার তদন্তে নেমেছে কেশিয়াড়ি থানার পুলিশ। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় ও ব্লক প্রশাসন।





