এই উৎসবের আবহের মাঝেই শিলিগুড়ির অন্যতম আকর্ষণ বেঙ্গল সাফারি পার্কে পর্যটকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। শুধু শিলিগুড়ি শহর নয়, আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও বহু মানুষ বছরের প্রথম দিনটিকে স্মরণীয় করে তুলতে ছুটে এসেছেন এই সাফারি পার্কে। সকাল থেকেই পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের নিয়ে মানুষের ঢল নামে পার্ক চত্বরে।
আরও পড়ুনDigha News: বর্ষবরণে দিঘায় কত ভিড় হল জানেন? সমুদ্র থেকে ঝাউবন, বাড়তি আকর্ষণ জগন্নাথ মন্দির
advertisement
হিলি থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক কাকলি পাল বলেন, “এটা সত্যিই খুব সুন্দর একটা জায়গা। প্রকৃতি আর বন্যপ্রাণ একসঙ্গে দেখার সুযোগ খুব কম জায়গাতেই মেলে। বছরের প্রথম দিনটা এখানে এসে আরও বিশেষ হয়ে গেল।”
একই সুর শোনা যায় পর্যটক দেবাশীষ মণ্ডল-এর গলাতেও। তিনি জানান, “নতুন বছরের প্রথম দিনটা আনন্দ আর উল্লাসের মধ্যেই কাটাতে চেয়েছিলাম। পরিবারকে নিয়ে বেঙ্গল সাফারি পার্কে এসে সেই আনন্দটা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারছি।”
শুধু বড়রাই নয়, খুদেদের মুখেও ধরা পড়ে খুশির ঝিলিক। ছোট্ট তন্ময় রায় জানায়, “আমার খুব ভালো লাগছে। আমি অনেক পশু আর পাখি দেখেছি। সবথেকে ভালো লেগেছে সাফারি গাড়িতে ঘোরা।”
আরও পড়ুনTarapith: নববর্ষের প্রথম দিন শুরু হল তারা মায়ের দর্শন করে, লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম তারাপীঠ মন্দিরে
পর্যটকদের এই ভিড় ও উৎসাহ নিয়ে আশাবাদী পার্ক কর্তৃপক্ষও। বেঙ্গল সাফারি পার্কের ডিরেক্টর বিজয় কুমার জানান, “সাফারি পার্ককে আরও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। পর্যটকদের সুবিধার জন্য নানান ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মানুষ যেভাবে আনন্দের সঙ্গে এখানে সময় কাটাচ্ছেন, তাতে পার্কেরও লাভ হচ্ছে। আশা করছি, গত বছরের সমস্ত রেকর্ড এ বছর ভেঙে যাবে।”
সব মিলিয়ে, বছরের প্রথম দিনেই বেঙ্গল সাফারি পার্কে পর্যটকদের ভিড় প্রমাণ করে দিল—নতুন বছর শুরু হচ্ছে আনন্দ, প্রকৃতি আর পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুখস্মৃতি নিয়েই।
ঋত্বিক ভট্টাচার্য





