TRENDING:

Independence Day 2023: দিল্লি গেল বৈঁচীগ্রামের ২ স্বাধীনতা সংগ্রামীর ভিটের মাটি! তৈরি হচ্ছে অমৃত বাটিকা

Last Updated:

Independence Day 2023: দিল্লিতে অমৃত বাটিকা তৈরির জন্য বীর সেনাদের ভূমি থেকে মাটি সংগ্রহ করার কথা জানিয়ে চিঠি আসে। হুগলির বৈঁচী গ্রামের দুই স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রণব কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ও রামকৃষ্ণ বসুর ভিটে থেকে মাটি সংগ্রহ করেন ভারতীয় সেনা।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
হুগলি: দেশের বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সম্মান জানাতে তাঁদের জন্মভূমি থেকে মাটি সংগ্রহ করে তা দিয়ে তৈরি হবে অমৃত বাটিকা উদ্যান। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরে দেশের নানা প্রান্তের স্বাধীনতা সংগ্রামীর পৈত্রিক মাটি সংগ্রহ করা শুরু হয়েছে। নেহেরু যুব কেন্দ্রের মাধ্যমে ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে বীর সেনানীদের পরিবার বর্গকে সম্মান জানানোর পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়। দিল্লিতে অমৃত বাটিকা তৈরির জন্য বীর সেনাদের ভূমি থেকে মাটি সংগ্রহ করার কথা জানিয়ে চিঠি আসে দিন দু’য়েক আগে। রবিবার আসেন বিএসএফ-এর ছয় জওয়ান। হুগলির বৈঁচী গ্রামের এমনই দুই স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রণব কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ও রামকৃষ্ণ বসুর ভিটে থেকে মাটি সংগ্রহ করেন ভারতীয় সেনা।
advertisement

বৈঁচী গ্রামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বীর সেনানীদের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে সম্মান জানান বিএসএফ-এর কমান্ডার। ১১৮ ব্যাটেলিয়ানের বিএসএফ কমান্ডার গনেশ দত্ত গৌতম বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এমন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ভূমি থেকে মাটি সংগ্রহ করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।সেখানে অমৃত বাটিকা তৈরীতে সেই মাটি ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন: পর্যটক টানতে সাজানো হোক পরিকাঠামো, চাইছে বিপ্লবী বটুকেশ্বর দত্তের গ্রাম

advertisement

আরও পড়ুন: প্রেমিকাকে ভিডিও পাঠিয়ে এ কী করলেন প্রেমিক! কালনায় মারাত্মক কাণ্ড 

View More

দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিশেষ ভূৃমিকা ছিল। তাই সেই সময় যাঁরা এই আন্দোলন করেছিলেন,আন্দোলন করতে গিয়ে জেল খেটেছিলেন, তাঁদের পরিবারকে এ ভাবে সম্মান জানাতে উদ্যোগ নিয়েছে দেশের সরকার।

advertisement

প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গান্ধীজির নেতৃত্বে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন বাবা। তৎকালীন ইউনিয়ন বোর্ডের অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রণব কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় ও রামকৃষ্ণ বসু পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। প্রথমে হুগলি জেল, তারপর প্রেসিডেন্সি জেল, আলিপুর জেলে কারাবাস করে ১৯৪৪ সালে ছাড়া পান।১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাবাকে তাম্রপত্র দিয়ে সম্মান জানিয়েছিলেন।”

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
শহুরে ভিড় ছেড়ে পাহাড়ে প্রেম!শিলিগুড়ির অদূরে রোম্যান্টিক গেটওয়ে,ছোট্ট ছুটিতে ঘুরে আসুন
আরও দেখুন

রাহী হালদার

বাংলা খবর/ খবর/হুগলি/
Independence Day 2023: দিল্লি গেল বৈঁচীগ্রামের ২ স্বাধীনতা সংগ্রামীর ভিটের মাটি! তৈরি হচ্ছে অমৃত বাটিকা
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল