স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির বাঁশবেড়িয়ার নারায়ণ তলার বাসিন্দার দেবরাজ রায়, কর্মসূত্রে বহু বছর ধরেই শিলিগুড়িতে থাকেন। তার একমাত্র ছেলে ত্রিদীপ (১৪) ও পরিবার শিলিগুড়িতেই থাকত। ত্রিদীপের মামার বাড়ি বাঁশবেড়িয়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ত্রিবেণী বাসুদেবপুর এলাকায়। গত বুধবার সপরিবারে বাঁশবেড়িয়া বেড়াতে আসেন তারা। গত শনিবার সকালে জলখাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ত্রিদীপ। দুপুর গড়িয়ে বিকেল সন্ধ্যা পার হয়ে যাওয়ার পর বাড়িতে না ফেরায় খোঁজ খবর শুরু হয়। খোঁজ না পেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে পরিবার।
advertisement
পরে মগরা থানায় নিখোঁজের ডায়রি করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। গঙ্গায় তল্লাসী চলতে থাকে। সময় যত বাড়ে ততই উৎকণ্ঠা বাড়ার পাশাপাশি ভেঙে পড়েন পরিবারের সকলে। এসবের মধ্যেই সোমবার বাঁশবেড়িয়া জলেশ্বরি গঙ্গার ঘাটে ওই কিশোরের দেহ উদ্ধার করে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। ঘটনাস্থলে আসে বাঁশবেড়িয়া মিল ফাঁড়ি ও মগড়া থানার পুলিশ। খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন আত্মীয়রা পরিজনরা। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে পাঠায়।
কিশোরের বাবা দেবরাজ রায় জানান, তার স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে আসেন। শ্যালিকা সন্তান প্রসব করে বৃহস্পতিবার। ২১ তারিখ সকালে জামা প্যান্ট পরে মাসির বাড়ি যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিল ছেলে। কিন্তু মাসির বাড়ি যায়নি। চেনা জানা কারও সঙ্গে গিয়েছিল। অচেনা কারও সঙ্গে যায়নি। যে নিয়ে গিয়েছিল ছেলের মৃত্যুর জন সেই দায়ী। এমন ঘটনায় মগড়া থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
