স্টেডিয়াম সংলগ্ন রয়েছে মরা মহানন্দা। ঘেরাটোপ না থাকায় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে গোটা স্টেডিয়াম চত্বর। চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে আবর্জনা। বর্তমানে ক্রীড়া প্রেমী ও সাধারণ মানুষ আসলেও ভগ্নদশা অবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এক ক্রীড়া প্রেমী সুমিত সরকার জানান, “স্টেডিয়াম সূচনা হওয়ার পর কাজ বাকি থাকায় সাংসদ তহবিল থেকে প্রায় ৮২ লক্ষ টাকা বরাদ্দকৃত অর্থে ছয়টি ব্লক তৈরি হয়।
advertisement
কিন্তু পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আরও কাজ এখনও বাকি। ছোটখাটো খেলা হলেও রাজ্য স্তর ও জেলা স্তরের বড় খেলা থেকে বঞ্চিত এই স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামকে সম্পূর্ণরূপে সংস্কার করে সাজানো হোক এলাকাবাসী হিসেবে দাবি রাখব।” যদিও এ প্রসঙ্গে মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন জানান, “এলাকাবাসী ও ক্রীড়া প্রেমীদের দাবি শুনেছি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিকাঠামোগত উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে এই ফুটবল মাঠে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরে সংস্কারের জন্য ৮৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি গৃহীত হলে দ্রুত কাজ চালু হবে। নতুন রূপে সাজবে স্টেডিয়াম।” প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি মিললেও এখন দেখার, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে কবে বাস্তবে রূপ পায় সংস্কারের কাজ। এবং কবে চাঁচলের এই মাঠ আবারও ক্রীড়া চর্চার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিণত হয়।





