ট্যালি মূলত হিসাবরক্ষণ সংক্রান্ত একটি সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, লেনদেন, বিল তৈরি, স্টক ম্যানেজমেন্টসহ নানা ধরনের হিসাব সহজে করা যায়। অন্যদিকে, জিএসটি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ থাকলে ট্যাক্স ফাইল করা, ইনভয়েস তৈরি করা বা ব্যবসায়িক নথিপত্র পরিচালনা করার মতো কাজও করা সম্ভব হয়।
advertisement
ট্যালি ও জিএসটি কোর্স নিয়ে নিয়ে বিস্তারিত জানালেন মিনাখা স্কুল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সেন্টারের প্রশিক্ষক সঞ্জিত কয়াল জানান, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিসের পাশাপাশি, পাবলিক সেক্টর, শপিং মল, স্কুল, কলেজ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্টিং, বিলিং, বেতন, ইনভেন্টরি অডিটিং, বিক্রয় ও মুনাফা বিশ্লেষণ, ভ্যাট, টিসিএস, টিডিএস সহ বিভিন্ন বিষয়ে কোর্সের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আগামীদিনেও এই কোর্সে প্রশিক্ষনপ্রাপ্তদের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুন: পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ, কয়েকটি দেশে স্থগিত CBSE! নতুন দিন ঘোষণা হবে
এই কোর্স শেখার ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা ছোট-বড় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকান, অফিস বা বাণিজ্যিক সংস্থায় অ্যাকাউন্টস সংক্রান্ত কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে পার্ট-টাইম কাজ করেও পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের পথ তৈরি করা যায়। এছাড়াও যারা ভবিষ্যতে নিজস্ব ব্যবসা শুরু করতে চান, তাদের ক্ষেত্রেও ট্যালি ও জিএসটি সম্পর্কে ধারণা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্যবসার হিসাব, ট্যাক্স জমা দেওয়া বা আর্থিক ব্যবস্থাপনা এই জ্ঞান ছাড়া করা কঠিন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিকের পর কম্পিউটারের বেসিক জ্ঞানের পাশাপাশি ট্যালি ও জিএসটি কোর্স করলে ছাত্র-ছাত্রীরা দ্রুত কর্মদক্ষ হয়ে উঠতে পারেন। ফলে ভবিষ্যতে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেকটাই বেড়ে যায়।





