১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ওম প্রকাশ ভাসিন ফাউন্ডেশন’ প্রতি বছর এই পুরস্কারটি প্রদান করে থাকে। ভারতের বিজ্ঞান চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, তাঁদেরই এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। পুরস্কারের অঙ্গ হিসেবে অধ্যাপক মিশ্র একটি মানপত্র, একটি স্মারক এবং নগদ এক লক্ষ টাকা পাবেন।
আরও পড়ুন: বর্ধমান মানেই কি শুধু মিহিদানা, সীতাভোগ! রয়েছে আরও এক বিশেষ মিষ্টি, পাওয়া যায় না অন্য কোথাও
advertisement
অধ্যাপক সুদীপ মিশ্র দীর্ঘকাল ধরে তথ্যপ্রযুক্তি, সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) এর মতো আধুনিক বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণা ভারতের প্রযুক্তিগত উন্নতিতে বিশেষ সহায়ক হয়েছে। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও তাঁর গবেষণাপত্রগুলো সমাদৃত। গবেষণার পাশাপাশি তিনি আইআইটি খড়গপুরের বহু ছাত্রছাত্রীকে আধুনিক বিজ্ঞান গবেষণায় অনুপ্রাণিত করে চলেছেন। এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করে আইআইটি খড়গপুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি কেবল অধ্যাপক মিশ্রের ব্যক্তিগত জয় নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক গবেষণা ও উদ্ভাবনী পরিবেশের জয়। তাঁর এই কৃতিত্ব সহকর্মী এবং গবেষকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পরিশেষে বলা যায়, অধ্যাপক সুদীপ মিশ্রের এই অসামান্য অর্জন প্রমাণ করে যে সঠিক লক্ষ্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করা সম্ভব। তাঁর এই সাফল্য আগামী প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের গবেষণার পথে নতুন আলোর দিশা দেখাবে।






