এর আগে আইটিআই পড়তে হলে ছাত্র-ছাত্রীদের ৩০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বা বেশি দূরে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির মত শহরে যেতে হত। কালচিনি ব্লকের অধিকাংশ চা বাগান ও বনভূমি অধ্যুষিত এলাকা। তাই এই এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষে ছেলে-মেয়েদের বাইরে রেখে পড়ানোর মত সাধ্য নেই। তাই কালচিনিতে আইটিআই হওয়ায় খুশি তারা ।
আরও পড়ুনঃ হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা কালচিনিতে
advertisement
বাসিন্দারা জানান, 'কালচিনিতে আইটিআই হওয়ায় আমরা খুবই খুশি। এর আগে শুধুমাত্র জয়গাঁয় একটি কলেজ রয়েছে,কিন্তু সেটি আইটিআই কলেজ নয়। তবে এই আইটিআই কলেজটি ব্লকের প্ৰথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বলে জানা যায়' শুধু আইটিআই কলেজ ক্লাসরুমে সীমাবদ্ধ নয়,এই কলেজে হোস্টেলের ব্যবস্থা রয়েছে।পাশাপাশি ওয়ার্কশপ রুম থাকছে।
আরও পড়ুনঃ আলিপুরদুয়ারে স্বাধীনতা দিবসের আগে বর্ণাঢ্য র্যালি
যেখানে রয়েছে পড়ুয়াদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা। দুবছরের ট্রেনিং শেষে কলেজের তরফে প্লেসমেন্টের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা যায়।বস্তুত চা বলয় অধ্যুষিত কালচিনি ব্লকের পড়ুয়াদের জীবিকা নির্বাহে আর কোনও সমস্যা থাকছে না বলে জানা যায়।
Annanya Dey





