advertisement

Alipurduar News: এবার সহজেই হবে যাতায়াত! জাতীয় সড়কের সঙ্গে সরাসরি জুড়ল উত্তরবঙ্গের এই চা বাগান

Last Updated:
Alipurduar News: উত্তরবঙ্গের এই চা বাগান থেকে এবার জাতীয় সড়কে পৌঁছনো যাবে পাকা রাস্তা দিয়ে। দীর্ঘদিনের দাবি মেনে এই সড়ক নির্মাণের ফলে চা শ্রমিকদের বড় উন্নতির আশা দেখছে প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
1/5
প্রত্যন্ত চা বাগানের সঙ্গে জাতীয় সড়কের যোগাযোগ স্থাপন হওয়ার কারণে খুশি বাগানের শ্রমিকরা। এবারে এই রাস্তা ধরে দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স এমনকি বাসের মতো বড় গাড়ি চলাচল করতে পারবে। দীর্ঘদিনের সমস্যার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নতুন পাকা রাস্তা তৈরি হল তাসাটি চা বাগান এলাকায়। (ছবি ও তথ্য: অনন্যা দে)
প্রত্যন্ত চা বাগানের সঙ্গে জাতীয় সড়কের যোগাযোগ স্থাপন হওয়ার কারণে খুশি বাগানের শ্রমিকরা। এবারে এই রাস্তা ধরে দমকল, অ্যাম্বুল্যান্স এমনকি বাসের মতো বড় গাড়ি চলাচল করতে পারবে। দীর্ঘদিনের সমস্যার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নতুন পাকা রাস্তা তৈরি হল তাসাটি চা বাগান এলাকায়। (ছবি ও তথ্য: অনন্যা দে)
advertisement
2/5
ফালাকাটা ব্লকের দলগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের তাসাটি চা বাগান সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে সান্তাল লাইন পর্যন্ত প্রায় ১.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই নতুন রাস্তা দিয়ে মানুষের যাতায়াত শুরু হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার সীমানা শেষ করে আলিপুরদুয়ার জেলা শুরুর মুখে এই এলাকাটি অবস্থিত।
ফালাকাটা ব্লকের দলগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের তাসাটি চা বাগান সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে সান্তাল লাইন পর্যন্ত প্রায় ১.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই নতুন রাস্তা দিয়ে মানুষের যাতায়াত শুরু হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার সীমানা শেষ করে আলিপুরদুয়ার জেলা শুরুর মুখে এই এলাকাটি অবস্থিত।
advertisement
3/5
জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হত। বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া, চা বাগানের শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হত। এই রাস্তায় প্রবেশ করত না অ্যাম্বুল্যান্স।
জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হত। বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া, চা বাগানের শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হত। এই রাস্তায় প্রবেশ করত না অ্যাম্বুল্যান্স।
advertisement
4/5
যার ফলে রোগীকে কোলে বা কাঁধে করে দেড় কিলোমিটার পথ পেরিয়ে জাতীয় সড়কের কাছে আনতে হত। যা এক অসহনীয় পরিস্থিতি তৈরি করত। এই বিষয়টি জেলা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছিলেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। অবশেষে নতুন পাকা রাস্তা তৈরি হওয়ায় এখন এলাকার মানুষ সহজেই যাতায়াত করতে পারছেন। দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।
যার ফলে রোগীকে কোলে বা কাঁধে করে দেড় কিলোমিটার পথ পেরিয়ে জাতীয় সড়কের কাছে আনতে হত। যা এক অসহনীয় পরিস্থিতি তৈরি করত। এই বিষয়টি জেলা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছিলেন স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। অবশেষে নতুন পাকা রাস্তা তৈরি হওয়ায় এখন এলাকার মানুষ সহজেই যাতায়াত করতে পারছেন। দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা।
advertisement
5/5
গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দিশান্ত ওঁরাও জানান,
গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য দিশান্ত ওঁরাও জানান, "আমিও এই এলাকার বাসিন্দা। এমনিতেই এলাকায় অভাব প্রচুর রয়েছে। পরিষেবা ঠিক করে মিলত না গ্রামবাসীদের। নতুন রাস্তার কারণে পরিষেবাগুলি পাবেন গ্রামের মানুষেরা।" (ছবি ও তথ্য: অনন্যা দে)
advertisement
advertisement
advertisement