জানা গিয়েছে, আগামী এক বছরের মধ্যে এই সুইমিং পুলের কাজ সম্পূর্ণ হবে। ইতিমধ্যেই এই কাজের জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। এদিন শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের মায়া টকিজ এলাকায় উপস্থিত ছিলেন আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। তিনি বলেন, “এটি আলিপুরদুয়ারের একটি স্বপ্নের প্রকল্প। বর্ষা শুরুর আগেই আমরা সুইমিং পুলের খনন কাজ শেষ করতে চাইছি। সেই কারণে তড়িঘড়ি সুইমিং পুলের খনন কাজ শুরু করা হল। আগামী এক বছরের মধ্যে এই কাজ শেষ করা হবে।“
advertisement
প্রসঙ্গত, আলিপুরদুয়ারের বাবুপাড়ায় ম্যাকউইলিয়াম ইনস্টিটিউট এলাকায় ভগ্ন প্রায় মায়া টকিজ ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওই স্থানে গত বছর ২৬ জুন সুইমিং পুলের শিলান্যাস করেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এরপর ১৭ অক্টোবর এই কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। লম্বা চওড়ায় ২৫ বাই ১৩ মিটার চওড়া অত্যাধুনিক সুইমিং পুল নির্মাণ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, যে কোনও আধুনিক শহরে এখন সুইমিং পুল খুব প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। নদী-নালা শুকিয়ে যাওয়ায় সাঁতার কাটার কোনও জায়গা থাকছে না। এদিকে বর্তমান সময়ের ছেলেমেয়েরা নদীতে নেমে সাঁতার কাটতে চায় না। অভিভাবকরাও ছেলেমেয়েদের নদীতে নামতে দিতে চান না। এই অবস্থায় আধুনিক সুইমিং পুলই ছেলেমেয়েদের সাঁতার কাটার ইচ্ছে পূরণ করতে পারে।
২০১৪ সালের ২৫ জুন নতুন জেলা হিসেবে আলিপুরদুয়ার আত্মপ্রকাশ করলেও এতদিন জেলায় কোনও সরকারি সুইমিং পুল ছিল না। অবশেষে আলিপুরদুয়ার শহরে সেই সুইমিং পুল হচ্ছে। ফলে স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে জেলাবাসীর। মহকুমা শাসক রিচার্ড লেপচা জানান, একটি শহরের জন্য সুইমিং পুল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
এই বিষয়ে শহরের এক বাসিন্দা বলেন, “খুবই ভাল উদ্যোগ। একটি সুইমিং পুল খুব প্রয়োজন ছিল। অনেক দিন ধরে হবে-হবে শুনছিলাম। অবশেষে কাজ শুরু হওয়ায় আমরা খুশি।“
