পূর্ব বর্ধমান জেলা ধানের গোলা হিসেবে পরিচিত। এখানে ধান উৎপাদনের পাশাপাশি পূর্বস্থলীতে সবজি চাষও হয়। জেলার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে সীতাভোগ-মিহিদানা, শক্তিগড়ের ল্যাংচা, নিগন ও বড়াচৌমাথার মন্ডার জন্য। হাওড়া থেকে ট্রেনে প্রায় ৩ ঘণ্টায় বা কলকাতার বিভিন্ন স্থান থেকে বাসে বর্ধমান পৌঁছানো যায়। দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে কালনা ও বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির, কালনা রাজবাড়ি, কাটোয়ার গৌরাঙ্গ বাড়ি, আউশগ্রামের ভালকি মাচান, কালিকাপুর রাজবাড়ি, দারিয়াপুরের ডোকরা গ্রাম ও অগ্রদ্বীপের নতুনগ্রাম।


কর্মীসভায় ভয়ঙ্কর আশঙ্কার কথা শোনালেন মমতা! 'ভাই-বোনেদের' দুর্গ আগলানোর দায়িত্ব দিয়ে বাংলায় প্রচারে বেরচ্ছেন 'দিদি'
AIMIM-এর সঙ্গেই জোট বেঁধে লড়বে হুমায়ুন কবীরের দল! কটি আসনে প্রার্থী দেবে? বিরাট আপডেট
এবার ভোটের 'ধ্রুবতারা'! ছক ভাঙা এক মেয়ে, কমিউনিজমের বই ধরা হাত ঘি ঢালল যজ্ঞেও! নাম? মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়!
নির্বাচন কমিশনের অতি সক্রিয়তাকে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন বলে সরব হলেন বুদ্ধিজীবীরা

ভবানীপুরে প্রচার শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "ভবানীপুর আমার মা, মাকে প্রণাম করেই আমি রাজ্যে প্রচারে বেরচ্ছি। ভবানীপুর তৃণমূলের আঁতুরঘর। আমি রাজ্য জুড়ে প্রচারে বেরোচ্ছি। আমি দিদি হিসাবে দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি, আমার সব ভাই বোনেরা ভবানীপুরকে দেখবে"।






আবার এসপ্ল্যানেড বা করুণাময়ী থেকে বাস পরিষেবাও নিয়মিত পাওয়া যায়, সড়কপথে এনএইচ–২ (গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড) ধরে বর্ধমান পৌঁছাতে লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা।
কলকাতা থেকে পূর্ব বর্ধমান সহজেই পৌঁছানো যায়। শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে ট্রেনে বর্ধমান স্টেশন পর্যন্ত যেতে সময় লাগে প্রায় ২–২.৫ ঘণ্টা। প্রতিদিন বহু লোকাল ও এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে।