পূর্ব বর্ধমান জেলা ধানের গোলা হিসেবে পরিচিত। এখানে ধান উৎপাদনের পাশাপাশি পূর্বস্থলীতে সবজি চাষও হয়। জেলার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে সীতাভোগ-মিহিদানা, শক্তিগড়ের ল্যাংচা, নিগন ও বড়াচৌমাথার মন্ডার জন্য। হাওড়া থেকে ট্রেনে প্রায় ৩ ঘণ্টায় বা কলকাতার বিভিন্ন স্থান থেকে বাসে বর্ধমান পৌঁছানো যায়। দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে কালনা ও বর্ধমানের ১০৮ শিব মন্দির, কালনা রাজবাড়ি, কাটোয়ার গৌরাঙ্গ বাড়ি, আউশগ্রামের ভালকি মাচান, কালিকাপুর রাজবাড়ি, দারিয়াপুরের ডোকরা গ্রাম ও অগ্রদ্বীপের নতুনগ্রাম।


'এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা ভাল নয়...' রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে বললেন ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী
আরও নাকা চেকিং,মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি নিয়ে সতর্ক হতে হবে...বৈঠকে আর যা যা নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক
পশ্চিমে ৪০, কলকাতায় ৩৭ ডিগ্রির চোখরাঙানি, তীব্র গরমে নাভিশ্বাস বাংলায়, রবি থেকেই স্বস্তি, এল মেগা আপডেট
প্রচারের মাঝে অন্য মেজাজে, ক্রিকেট মাঠে নেমেই ছয় মারলেন দিলীপ! সঙ্গী ছিলেন কে?

ভ্যাপসা গরম থাকবে থাকবে হাওড়া, কলকাতা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, উত্তর ২৪ পরগনা এবং হুগলিতে। তবে রবিবার থেকে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাবে। কয়েক দিন ঝড়বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি চলবে আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত।






আবার এসপ্ল্যানেড বা করুণাময়ী থেকে বাস পরিষেবাও নিয়মিত পাওয়া যায়, সড়কপথে এনএইচ–২ (গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড) ধরে বর্ধমান পৌঁছাতে লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা।
কলকাতা থেকে পূর্ব বর্ধমান সহজেই পৌঁছানো যায়। শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে ট্রেনে বর্ধমান স্টেশন পর্যন্ত যেতে সময় লাগে প্রায় ২–২.৫ ঘণ্টা। প্রতিদিন বহু লোকাল ও এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে।