দিলীপ ঘোষ বলেন, আগের নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির অধিকাংশই বাস্তবে পূরণ হয়নি। তাঁর কথায়, “কাগজে কলমে অনেক কিছু লেখা হয়, কিন্তু সাধারণ মানুষ তার সুফল পান না।” মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি। বিশেষ করে ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলি ভোটের আগে মানুষকে প্রভাবিত করার কৌশল মাত্র। একইসঙ্গে ডিএ (মহার্ঘ ভাতা) ইস্যুতে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
advertisement
এদিন তিনি বিজেপির সম্ভাব্য কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ঝুলে থাকা নিয়োগগুলির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বয়সসীমা প্রয়োজন হলে পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ান হবে। পাশাপাশি সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে ডিএ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান এবং ১০০ দিনের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়াও রাজ্যের বহু যুবক যারা গুজরাট ও মহারাষ্ট্রে কাজ করছেন, তাঁদের রাজ্যে ফিরিয়ে এনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান।
রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো, ওষুধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়াও সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশের বিষয়েও তিনি কড়া অবস্থান নেন। তাঁর মতে, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোরে নতুন মাত্রা যোগ করল দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য।





