তাঁদের দাবি, এই দূষণের কারণে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম টিকে থাকতে পারবে না। ভাতের থালায় কয়লা সঙ্কটে স্বাস্থ্য। অবিলম্বে এই কয়লা স্তূপীকরণ বন্ধ করতে হবে এবং গ্রামের পরিবেশকে বসবাসের যোগ্য করে তুলতে হবে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই সমস্যা নতুন নয়। ২০২৫ সালের মে মাস থেকেই কয়লা গুঁড়োর দাপটে নাজেহাল অবস্থা গ্রামটির। বাতাসে ওড়া কয়লার ছাই শুধু বায়ুদূষণ নয়, নষ্ট করছে পানীয় জলের উৎসকেও।
advertisement
স্থানীয়দের দাবি, এই বিষয়ে তাঁরা এর আগে হলদিয়ার মহকুমা শাসক, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এবং স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সংস্থার ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসলেও মেলেনি কোনও স্থায়ী সমাধান। কর্তৃপক্ষের বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গই আজ গ্রামবাসীদের অবস্থান-বিক্ষোভে নামতে বাধ্য করেছে।
আন্দোলন চলাকালীন গ্রাম কমিটির সম্পাদক রঞ্জন জানা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানান, “২০২৫ সাল থেকে আমরা এই অসহ্য পরিস্থিতির শিকার। গ্রামের শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকেই আজ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ রেখেও নিস্তার মিলছে না। এমনকি খাবারের থালায় পর্যন্ত কয়লার গুঁড়ো মিশছে। আমরা কি এভাবেই বিষ খেয়ে বেঁচে থাকব।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গ্রামবাসীর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পলিউশন ক্লিয়ারেন্স বা প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই জনবহুল এলাকায় এভাবে অবৈধভাবে কয়লা স্তূপ করা হয়েছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও সুরাহা না হওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন আজ বিপর্যস্ত। তাই তারা বাধ্য হয়ে এই বৃহত্তর আন্দোলনে নেমেছি। গ্রামবাসীদের একটাই দাবি, জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে এই কয়লার কারবার সরাতে হবে। যদি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হয় এবং প্রশাসন বা সংস্থা উপযুক্ত পদক্ষেপ না নেয়, তবে আগামী দিনে এই আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকার ধারণ করবে। ফলে নির্বাচন আবহে আরও একবার হলদিয়া শিল্পাঞ্চল শহরে দূষণ নিয়ে সোচ্চার হল সাধারণ মানুষ।





