দীর্ঘ দুই দশক ধরে বিধানসভা নির্বাচনে সক্রিয় মুখ কৃষ্ণেন্দু। তবে এবার আর তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাননি তিনি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু ২০০১ সালে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে। এরপর ২০০৬ সালে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে প্রথমবার জয়ী হন তিনি। ২০১১ সালেও কংগ্রেসের টিকিটে জয় পান কৃষ্ণেন্দু।
পরবর্তীতে ফের তৃণমূলে ফিরে ২০১৩ সালের উপনির্বাচনে জয়লাভ করে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীত্বও সামলান তিনি। যদিও ২০১৬ ও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন একসময়ের মন্ত্রী। এবার প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হলেও, কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী নিজে কী বললেন?
advertisement
কৃষ্ণেন্দু জানিয়েছেন, “ইংরেজবাজার কেন্দ্র বাদে অন্য আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী ছিলেন তিনি। তবে দলের সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট এবং ভবিষ্যতেও দলের একজন কর্মী হিসেবেই কাজ করে যাবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, এই গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজবাজার আসনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে প্রাক্তন পৌর কাউন্সিলর আশিস কুণ্ডুকে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই তিনি জোরকদমে প্রচার শুরু করেছেন। আশিস কুণ্ডুর দাবি, মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলছে এবং তৃণমূলই আবার রাজ্যে সরকার গঠন করবে এই কেন্দ্রে। পাশাপাশি বিজেপির দিকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে আশিস বলেন, “এই কেন্দ্রে এখনও প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না বিজেপি, এবং আগামী দিনে রাজ্য তো বটেই, কেন্দ্র থেকেও বিজেপি ক্ষমতাচ্যুত হবে।”
উল্লেখ্য, তৃণমূল ও সিপিআইএম ইতিমধ্যেই তাঁদের প্রার্থী ঘোষণা করলেও বিজেপির প্রার্থী এখনও ঘোষণা করা হয়নি এই কেন্দ্রে। তবে গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপির ভাল ফল রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। সব মিলিয়ে, ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে লড়াই যে এবার ত্রিমুখী ও হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা বলাই যায়। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ আসনের দখল যায় কার ঝুলিতে?





