বিশেষ করে নিচু এলাকাগুলিতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। দেরিতে চাষ হওয়ায় অনেক জমিতেই এখনও আলু তোলা হয়নি। তার উপর এই টানা বৃষ্টিতে জমে থাকা জল পুরো ফসলকেই ডুবিয়ে দিয়েছে। অনেক কৃষক সদ্য তোলা আলু জমিতেই মজুত করে রেখেছিলেন, সেই আলুও এখন জলের মধ্যে ভাসছে। বাধ্য হয়ে কৃষকেরা জল থেকে আলু তুলে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। এমনিতেই আলুর দাম কম, তার উপর গোদের উপর বিষ ফোঁড়ার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় চোখে জল এনেছে কৃষকদের। যেটুকু রোজগার হবে তাতে না চলবে সংসার আর না দিতে পারবেন ঋণের অর্থ।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ভোটের হাত ধরে লক্ষ্মীলাভ! দেওয়াল লিখেই ভুরিভুরি আয় ঝাড়গ্রামের শিল্পীদের
পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার কৈগেড়িয়া, গঙ্গারামপুর ও কোটা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ৩৫০ বিঘা জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে বলে দাবি কৃষকদের। এই অবস্থায় আলু পচে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অন্যদিকে বাজারে আলুর দাম কম। দু’দিক থেকেই চাপে পড়েছেন চাষিরা।
আরও পড়ুনঃ সিলিন্ডার সঙ্কটের মাঝে ভরসা মাটির রেডিমেড উনুন, সামান্য দামে ঢেলে বিকোচ্ছে, ব্যবসায়ীদের ‘পৌষ মাস’
কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচ ক্রমেই বাড়ছে, বিশেষ করে থোলার (সংরক্ষণের বস্তা) দাম আকাশছোঁয়া। ফলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যাচ্ছে। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষ করেছিলেন, এখন সেই টাকা ফেরত দেওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, লাগাতার বৃষ্টিতে চন্দ্রকোনার আলু চাষে নেমে এসেছে দুর্যোগের কালো ছায়া। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে কৃষকদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত, আর চোখে মুখে স্পষ্ট হতাশার ছাপ। কীভাবে উঠবে সারা বছরের রোজগার, তা জানে না কেউই।





