সাংসদ জুন মালিয়ার আর্থিক তহবিল থেকে নির্মিত এই ভবনে পথকুকুরসহ অন্যান্য অবলা প্রাণীর চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে বিশেষজ্ঞ পশুচিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রপচার থেকে শুরু করে প্রাথমিক ও উন্নত চিকিৎসা করা যাবে। চালু হয়েছে পশু অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাও, যাতে আহত বা অসুস্থ প্রাণীদের দ্রুত হাসপাতালে আনা সম্ভব হয়। নতুন এই কেন্দ্রে রয়েছে একাধিক পৃথক কক্ষ, অপারেশন থিয়েটার, পর্যবেক্ষণ কক্ষ এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পরিকাঠামো।
advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু পথকুকুর নয়, বিড়াল, সাপ সহ অন্যান্য আহত প্রাণীকেও এখানে চিকিৎসা ও আশ্রয় দেওয়া হবে। যেসব প্রাণীর উপযুক্ত বাসস্থান নেই বা চিকিৎসার পর পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন, তাদের জন্যও রয়েছে নিরাপদ ব্যবস্থা। এতদিন পশুপ্রেমী সংগঠনগুলির উদ্যোগে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা পরিষেবা চালু থাকলেও পরিকাঠামোর অভাবে তা পর্যাপ্ত ছিল না। বহু সময় অর্থ ও চিকিৎসার অভাবে অসহায় প্রাণীদের প্রাণহানি ঘটেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নতুন এই কেন্দ্র চালু হওয়ায় সেই সংকট অনেকটাই কাটবে বলে আশা করছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। পশুপ্রেমী মহলেও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান হয়েছে। প্রশাসনের মতে, মানুষের অসচেতনতা ও বিকৃত মানসিকতার কারণেই পথপ্রাণীদের ওপর বারবার আঘাত নেমে আসে। চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির দিকেও জোর দেওয়া হবে। মেদিনীপুর শহরে এই অভিনব উদ্যোগ আগামী দিনে পথপ্রাণীদের সুরক্ষা ও কল্যাণে বড় ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন সকলে। অবশেষে অবলা প্রাণীদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় ও উন্নত চিকিৎসার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হল।





