পশ্চিম মেদিনীপুরের বাংলা-ওড়িশা সীমানা এলাকা দাঁতনের শরশঙ্কা এলাকায় রয়েছে এই বৃহত্তম পুষ্করিণী। যা শুধু জেলার মান, সুখ্যাতি বাড়িয়েছে তা নয়, সারা বাংলার এক অন্যতম প্রসিদ্ধ স্থান। এই পুষ্করিণীর অবস্থান এবং ইতিহাস নিয়ে নানা মত থাকলেও এত বিশাল দিঘি বা পুকুর আগে হয়ত আপনি কোথাও দেখেননি। এক প্রান্তে দাঁড়ালে অপর প্রান্তে চোখ যাওয়া মুশকিল। বেশ কয়েকশ মিটার দীর্ঘ এই দিঘি বা পুস্করিণী। বিশালাকার জায়গা জুড়েই অবস্থিত।
advertisement
আরও পড়ুন: বাড়বে কদর, মিলবে বেশি লাভ! ‘মুর্শিদাবাদ সিল্ক’ নিয়ে বড় আপডেট, খুশিতে ডগমগ জেলার শাড়ি ব্যবসায়ীরা
ইতিহাস গবেষকদের থেকে নানা মত পাওয়া গেলেও জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহত্তম এই দিঘি বা পুষ্করিণী। বেশ কিছু ইতিহাস গবেষক মনে করেন, গৌড় রাজ শশাঙ্কের সময়ে খোঁড়া হয়েছিল এই পুষ্করিণী। কেউ কেউ আবার ওড়িশার এক রাজার সঙ্গে মিল খুঁজেছেন। তবে আয়তাকার এই সুবিশাল দিঘির খোঁজ হয়ত অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। বেশ কয়েকশ একর জায়গা জুড়ে এই বিশাল দিঘি। তবে বর্তমানে এই দিঘিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের নতুন দিশা দেখছে সকলে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ইতিমধ্যেই বৃহস্পতিবার বিকেলে এলাকা পরিদর্শন করেন কেশিয়াড়ি বিধানসভার বিধায়ক পরেশ মুর্মু, পঞ্চায়েত সমিতির ও পঞ্চায়েতের একাধিক আধিকারিকেরা। নির্দিষ্ট জায়গা চিহ্নিত করা এবং শরশঙ্কা এলাকা পরিদর্শন করেন তারা। দ্রুত এই কাজ শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে প্রশাসনের তরফে।





