সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ছোট উদ্যোগ আজ তাঁর নিত্যদিনের দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। এখনও প্রতিদিন তিনি রঘুনাথপুর শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে পথ কুকুরদের মুখে খাবার তুলে দেন। শুধু খাবার দেওয়াতেই তাঁর কাজ সীমাবদ্ধ নয়, যখনই কোনও কুকুর অসুস্থ হয়ে পড়ে বা দুর্ঘটনায় আহত হয়, তখন শান্তনুই এগিয়ে আসেন অভিভাবকের মতো। প্রয়োজনে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেন এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান।
advertisement
রঘুনাথপুর শহরবাসীর মতে, সমাজে যদি শান্তনু চ্যাটার্জীর মতো মানবিক মানুষ আরও এগিয়ে আসেন, তবে পথ প্রাণীদের জীবন অনেক বেশি নিরাপদ, সুরক্ষিত ও স্নেহময় হয়ে উঠবে। তাঁদের বিশ্বাস, মানুষের সামান্য সহানুভূতি ও উদ্যোগই অসহায় পথ প্রাণীদের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মানুষ ও প্রাণীর সহাবস্থানের এক সুন্দর উদাহরণ তৈরি করেছেন রঘুনাথপুরের যুবক শান্তনু চ্যাটার্জী। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ রঘুনাথপুর শহরের অনেক মানুষের কাছেই আজ অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।





