পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে গ্রামবাসী খবর দেয় নয়াগ্রাম থানায়। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, প্রশাসন। কুয়ো থেকে ষাঁড়টিকে উদ্ধারের জন্য আনা হয় জেসিবি মেশিন (JCB)। উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন ঝাড়গ্রামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও। প্রশাসন, গ্রামবাসী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মিলিত প্রচেষ্টায় প্রাণে রক্ষা পায় ষাঁড়টি।
advertisement
জানা যাচ্ছে, মাঠে চড়তে গিয়ে অসাবধানতাবশত ষাঁড়টি কুয়োর মধ্যে পড়ে যায়। পরিত্যক্ত ওই কুয়োটি বেশ গভীর। ফলে কোনমতেই ষাঁড়ের পক্ষে বেরিয়ে আসা সম্ভব ছিল না। অবলা জীবের গোঙানির শব্দ শুনে গ্রামবাসী কুয়োর কাছে জড়ো হন। দেখেন, পূর্ণবয়স্ক একটি ষাঁড় ভিতরে পড়ে কাতরাচ্ছে। বেরিয়ে আসার জন্য ছটফট করছে সে। গ্রামবাসীরা প্রাথমিকভাবে ষাঁড়টিকে তোলার চেষ্টা করলেও সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপরেই নয়াগ্রাম থানায় খবর দেওয়া হয়।
আনা হয় জেসিবি মেশিন। জেসিবি-র সাহায্যে মাটি কেটে কুয়োর মুখ বড় করা হয়। এরপর ষাঁড়ের শিংয়ে দড়ির ফাস লাগিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিরাপদে কুয়ো থেকে বের করে আনা হয়। বর্তমানে ষাঁড়টি সুস্থ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি নিরীহ প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।
