বিদ্যালয়ের পর্যাপ্ত পরিকাঠামো, উপযুক্ত শ্রেণিকক্ষের দাবি জানিয়েছে অভিভাবক থেকে শিক্ষক- শিক্ষিকারা। দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয় এই বিদ্যালয়ে। ছ’টি ক্লাস থাকলেও শিক্ষক শিক্ষিকাদের সংখ্যা নিমিত্ত।
advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর গ্রামীণ এলাকার রাজবালা বালিহাটি জুনিয়র হাইস্কুলের এমন চিত্র। সম্প্রতি এই স্কুল মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েছে। ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যাও প্রায় তিন শতাধিক, যেখানে ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ২০০। বিদ্যালয়ে হাতেগোনা কয়েকটি রুম। সব ক্লাসের ছেলেমেয়েদের ক্লাসরুমে বসিয়ে পড়ানো সম্ভব নয়। তাই বাধ্য হয়ে শান্তিনিকেতনের আদলে বাইরে চাটাই পেতে বসিয়ে ক্লাস করান শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
দিন কয়েক পরেই গ্রীষ্মকাল। একদিকে গ্রীষ্মের দাবদাহ, তারপর বর্ষা। স্বাভাবিকভাবে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে অভিভাবকেরা। প্রসঙ্গত এই বিদ্যালয়ে রয়েছে মাত্র তিন জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা, নেই শিক্ষা কর্মী। নেই ভাল শৌচাগার। কয়েকজন অস্থায়ী শিক্ষককে দিয়ে বিদ্যালয়ের অন্যান্য দিন পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে অভিভাবকদের দাবি স্কুলে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে এবং অবিলম্বে নতুন শ্রেণিকক্ষের অনুমোদন দেওয়া হোক। প্রশাসনিক বিভিন্ন দফতরে আবেদন জানান হয়েছে বিদ্যালয়ের তরফে। প্রসঙ্গত, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ও সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বাল্যবিবাহ রুখতে এই স্কুলের ভূমিকা অপরিসীম। তবে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকলে আবারও আগের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। জানা গিয়েছে, এই এলাকা থেকে অন্যান্য বিদ্যালয়ের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার, মাঝে জাতীয় সড়ক এবং অপর প্রান্তে নদী। নদী কিংবা জাতীয় সড়ক পেরিয়ে অন্য বিদ্যালয়ে পড়ার জন্য যাওয়া রীতিমত সমস্যার।
তবে প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে। নির্দিষ্ট আবেদন ও দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও প্রশাসন সূত্রে খবর। গ্রীষ্মকালের আগেই এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন গ্রামবাসী থেকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কবে সমস্যার সমাধান হয়, তার দিকে তাকিয়ে সকলে।





